বারুইপুরে দু’দিন ধরে জলবন্দি বহু পুর এলাকা, বাড়ছে ক্ষোভ
বর্তমান | ০৩ আগস্ট ২০২৪
সংবাদদাতা, বারুইপুর: দু’বছর ধরে চলছে বারুইপুরের সূর্যপুর খালের উপর সেতু নির্মাণের কাজ। তার জন্য খালে বাঁশ পুঁতে মাটি ফেলে একটি জায়গা ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়েছে। এর জেরে খালে জলের গতি বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। ফল ভুগতে হচ্ছে বারুইপুর পুরসভার অধিকাংশ ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের। টানা দু’দিন ধরে বিভিন্ন এলাকার জমা জল বেরতে সমস্যা হচ্ছে। জমা জল পাম্পের মাধ্যমে আদি গঙ্গায় ফেলা হচ্ছে। সেখান থেকে জল যাচ্ছে সূর্যপুর খালে। কিন্তু খালে ব্যারিকেড হয়ে থাকায় জলের প্রবাহ কার্যত থেমে গিয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। দু’দিন ধরেও জল না নামায় বাসিন্দারা তিতিবিরক্ত। জমা জলে সাপ সহ নানা পোকামাকড়ের উপদ্রব বাড়ছে। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, ‘পূর্তদপ্তর অবিলম্বে সূর্যপুর খালের ব্যারিকেড সরিয়ে না দিলে বর্ষার চলতি মরশুমে ভোগান্তি আরও বাড়বে।’
যদিও বারুইপুরের পূর্তবিভাগের অতিরিক্ত বাস্তুকার এ বিষয়ে কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি। বারুইপুর পুরসভার ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ১০,১১, ১৩, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বেশ কয়েকটি জায়গা এখনও জলমগ্ন। অনেক ঘরেও জল ঢুকেছে। সূত্রের খবর, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে পুরসভার কাউন্সিলারদের কাছে খোঁজখবর নিয়েছেন যাদবপুর লোকসভার সাংসদ সায়নী ঘোষ ও স্থানীয় বিধায়ক বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। জরুরি ভিত্তিতে জল সরানোর নির্দেশ দিয়েছেন তাঁরা। এদিকে, শুক্রবার পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অর্চনা ভদ্র গোলপুকুরের জলমগ্ন এলাকা দেখতে এলে বাসিন্দারা নিয়মিত নর্দমা পরিষ্কার না হওয়ার অভিযোগ করেন। কেন ফি-বছর এই সমস্যায় ভুগতে হবে, প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। আরেক কাউন্সিলার সুভাষ রায়চৌধুরী বলেন, ‘বেশ কয়েকটি পাম্পের সাহায্যে জল সরানোর কাজ চলছে। আর বৃষ্টি না হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।’