• রঘুনাথপুরের বিভিন্ন থানায় বধূ নির্যাতনের অভিযোগ বাড়ছে, হিমশিম পুলিস
    বর্তমান | ০৪ আগস্ট ২০২৪
  • সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: রঘুনাথপুর মহকুমায় দিন দিন বাড়ছে বধূ নির্যাতন। মহকুমাজুড়ে প্রতিদিন বিভিন্ন থানায় বধূ নির্যাতনের অভিযোগ জমা পড়ছে। বধূ নির্যাতনের অভিযোগ সামাল দিতে পুলিসকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। যদিও এক শ্রেণির পুলিস মনে করছে, মেয়েরা সচেতন হয়েছেন। তাই অত্যাচার সহ্য না করে প্রতিকার চাইতে প্রশাসনের দ্বারস্থ হচ্ছেন। 


    মহকুমা পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, গত জুলাই মাসে রঘুনাথপুর মহকুমার পাঁচটি থানায় মোট আটটি অভিযোগ জমা পড়েছে। মোট ৩৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে কোনও ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। জানা গিয়েছে, অভিযোগকারী গৃহবধূদের মধ্যে কারও বিয়ে হয়েছে কুড়ি বছর আগে। কারও বা এক বছর আগে। কেউ বিয়ের পর অত্যাচারিত। আবার কারও উপর অত্যাচার শুরু হয়েছে বিয়ের কয়েক বছর পর। অত্যাচারের সীমা অতিক্রম হওয়ায় বাধ্য হয়ে মহিলারা পুলিসের দ্বারস্থ হচ্ছেন। তবে বেশিরভাগ বধূ নির্যাতনের অভিযোগে উঠে এসেছে অতিরিক্ত পণের দাবির বিষয়টি। 


    পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সাঁতুড়ি থানায় তিনটি, আদ্রা থানায় দু’টি, এবং সাঁওতালডিহি, কাশীপুর ও নিতুড়িয়া থানায় একটি করে মোট তিনটি বধূ নির্যাতনে অভিযোগ হয়েছে। সাঁতুড়ি থানায় অভিযোগকারী এক মহিলা বলেন, ২০০৮ সালে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর কয়েক বছর ঠিকই ছিলাম। তারপরে শ্বশুরবাড়ির তরফ থেকে আমাকে টাকা আনার জন্য চাপ দেওয়া হয়। টাকা আনতে না পারায় আমাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। তিনজনের নামে অভিযোগ জানানো হয়েছে।


    রঘুনাথপুর মহকুমার এক পুলিস আধিকারিক বলেন, বর্তমানে মহিলারা সচেতন হচ্ছেন। তাই অত্যাচার সহ্য না করে আইনিভাবে বিচার চাইতে পুলিসের দ্বারস্থ হচ্ছেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে তদন্ত করে দেখা যায় স্বামী ও শ্বশুর বাড়িকে শায়েস্তা করতে মিথ্যা অভিযোগ হয়েছে। 
  • Link to this news (বর্তমান)