• জল্পেশে পুজো দিতে প্রতিদিনই ভিড়, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় জোর প্রশাসনের
    বর্তমান | ০৪ আগস্ট ২০২৪
  • সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: শনিবার বৃষ্টি উপেক্ষা করেই জল্পেশ মন্দিরে পুজো দিলেন প্রচুর ভক্ত। শুধু জলপাইগুড়ি জেলার নয় পার্শ্ববর্তী দার্জিলিং, কোচবিহার সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্তরা এসেছেন। গত দু’বছর শ্রাবণ মাসে মন্দিরের বাইরে চ্যানেলে জল ঢালতে হতো ভক্তদের। তবে এবার মন্দিরের গর্ভগৃহে ভক্তরা প্রবেশ করতে পারছেন। এতে তাঁরা খুশি। 


    প্রশাসন জানিয়েছে, এবার সার্ক রোডের পাশে যাঁরা প্যান্ডেল করে ভক্তদের বিভিন্ন ধরনের খাবার, জল ও সরবত বিতরণ করেন তাঁদেরকে কমপক্ষে দু’টি ডাস্টবিন রাখতে হবে। প্লাস্টিকের গ্লাস ব্যবহার করা যাবে না। উচ্চস্বরে কোনও বক্স  বা ডিজে বাজানো যাবে না। রাস্তার পাশে বর্জ্য পড়ে থাকলে ভাণ্ডারার উদ্যোক্তাদেরই তা পরিষ্কার করতে হবে। ইতিমধ্যেই সকলকে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতি বছর শ্রাবণী মেলার সময় জলপাইগুড়ি সহ কোচবিহার, দার্জিলিং জেলা থেকেও প্রচুর মানুষজন এসে সার্ক রোডের পাশে রবিবার রাত থেকে ভাণ্ডারা খোলেন। সেজন্য সোমবার সকাল থেকেই বর্জ্যে ভরে যায় গোটা সার্ক রোড। গত সপ্তাহে ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ, বিডিও প্রসেনজিৎ কুণ্ডু ঝাড়ু হাতে বর্জ্য সাফাই করেছেন। 


    শনিবার শিলিগুড়ি থেকে  আসা পুজা সাহা বলেন, জল্পেশ মন্দিরে এসে খুব ভালো লাগল। পরিকাঠামো অনেকটাই ভালো হয়েছে। মন্দিরের ভিতরে প্রবেশ করে জল ঢালতে পারলাম। শনিবার আসার কারণ ভিড় কম থাকে। ভালোভাবে পুজো দেওয়া সম্ভব হয়। বাগরাকোট থেকে আসা গৌতম রাই, গোরুবাথান থেকে পুজো দিতে আসা বীরবল গুরুং বলেন, আমরা প্রতি বছর এই সময় পুজো দিতে আসি। প্রশাসন খুব ভালো ব্যবস্থা করেছে। লম্বা লাইন করে মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করেছি। ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি সবাইকেই দেখতে হবে। যাঁরা ভাণ্ডারা দেবেন, তাঁদেরকে নিয়মকানুন বলে দেওয়া হচ্ছে। আমরাও নজরদারি চালাব।
  • Link to this news (বর্তমান)