• ছাদে ফাটল, বৃষ্টির জল মাথায় নিয়েই পঠনপাঠন কুলতলির স্কুলে
    বর্তমান | ০৪ আগস্ট ২০২৪
  • সংবাদদাতা, বারুইপুর: স্কুলের ছাদ থেকে শুরু করে দেওয়ালজুড়ে ফাটল। ভেঙে পড়ছে চাঙড়। যে কোনও দিন বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা। বৃষ্টির সময় ছাদ চুঁইয়ে জল পড়ে। তার মধ্যেই শিশুদের নিয়ে কোনওরকমে চলছে ক্লাস। কুলতলির গরানকাঠির কুলতলি সিএস অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই ছবি চমকে দেওয়ার মতো। স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুভাষচন্দ্র সরদার বলেন, ‘ক্লাস ঘরের ছবি তুলে সব জায়গায় পাঠানো হয়েছে। বিডিওর কাছেও আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু তারপরও এখনও কোনও কাজ হয়নি। খুবই বিপজ্জনক অবস্থার মধ্যে দিয়ে ক্লাস চালাতে হচ্ছে।’ কুলতলি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রুপা সরদার বলেছেন, ‘বিষয়টি দেখছি।’ 


    কুলতলির গোপালগঞ্জ পঞ্চায়েতের অধীনে রয়েছে এই স্কুলটি। ১৯৫৫ সালে তৈরি হয়েছিল। এই এলাকায় প্রাথমিক স্কুল না থাকায় এটির উপর নির্ভর করে আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ। স্কুলে সবক’টি ঘরের অবস্থাই খারাপ। প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘স্কুলের অবস্থা ভালো না থাকায় ছাত্র সংখ্যাও কমছে। ছাদ থেকে চাঙড় ভেঙে পড়ছে। যে কোনওসময় বিপদ আসতে পারে।’ জিয়াউল মণ্ডল নামে এক অভিভাবক বলেন, ‘আশপাশে কোনও প্রাথমিক স্কুল না থাকায় এই স্কুলেই ছেলে-মেয়েদের পাঠাতে হয়। ওরা স্কুলে এলে আমরা শান্তিতে থাকতে পারি না। কিছু না কিছু প্রতিদিনই ভেঙে পড়ে।’ পূর্ণিমা মণ্ডল নামে আর এক অভিভাবক বলেন, ‘বৃষ্টির সময় ক্লাসে বসে ভেজে বাচ্চাগুলো। এইভাবে কী পড়াশোনা হয়? স্কুলের ক্লাস ঘরের অবিলম্বে সংস্কার দরকার। 
  • Link to this news (বর্তমান)