• পঞ্চদশ অর্থ কমিশন এবং স্বচ্ছ ভারত মিশনের টাকা খরচে বিভিন্ন জেলায় ঢিলেমির অভিযোগ
    বর্তমান | ০৪ আগস্ট ২০২৪
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তরের অধীনে পঞ্চদশ অর্থ কমিশন এবং স্বচ্ছ ভারত মিশনের কাজ চলছে। কিন্তু জেলাগুলি এই দুই খাতের টাকা খরচের ক্ষেত্রে যথেষ্ট ঢিলেমি দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ। তাই এ বিষয়ে জেলাগুলিকে সতর্ক করল পঞ্চায়েত দপ্তর। গত সপ্তাহে প্রকাশিত রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, চলতি অর্থবর্ষে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের প্রাপ্য টাকার মাত্র ৩৭ শতাংশ খরচ করতে পেরেছে জেলাগুলি। অপরদিকে, স্বচ্ছ ভারত মিশনের মাত্র ২৭ শতাংশ টাকা খরচ হয়েছে। কাজের গতি কম থাকায় উষ্মা প্রকাশ করেছেন দপ্তরের আধিকারিকরা। সম্প্রতি জেলাগুলির সঙ্গে এক বৈঠকে এ বিষয়ে আরও  তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাজ্য অর্থ কমিশন, গ্রামীণ রাস্তা ও আনন্দধারা প্রকল্পে খরচ সন্তোষজনক হলেও এই দু’টি ক্ষেত্রে ঢিলেমি রয়েছে। সম্প্রতি অর্থ কমিশনের টাকা খরচে পিছিয়ে থাকা ১০০টি ব্লককে নিয়ে বৈঠক করেছিলেন দপ্তরের কর্তারা। সেখানে ১০০০টি গ্রাম পঞ্চায়েতের নাম উঠে আসে, যাদের টাকা খরচের হার খুবই কম। পুজোর আগেই পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের আরেক কিস্তির টাকা ঢুকবে। তার আগে এই টাকার নির্দিষ্ট অংষ খরচ না করলে সমস্যা তৈরি হতে পারে। সেই কারণে জেলাগুলিকে বাড়তি চাপ দেওয়া হচ্ছে।


    একইভাবে স্বচ্ছ ভারত মিশনের টাকা বরাদ্দ হয়ে গেলেও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিকাঠামো তৈরি করতে উদাসীনতা পরিলক্ষিত হচ্ছে জেলায় জেলায়। 


    দপ্তরের হিসেব বলছে, এই খাতে এখনও অন্তত দু’হাজার কোটি টাকা খরচ করা যায়নি। শুধু তাই নয়, রাজ্যজুড়ে ১৬০৩টি কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট তৈরি করা হলেও মাত্র ৩৫০টি কাজ করছে। বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন দপ্তরের আধিকারিকরা। জেলাগুলি যাতে দ্রুত বাদবাকি ইউনিট চালু করতে উদ্যোগী হয়, সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা, মালদহ এবং দার্জিলিং জেলায় পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচ সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। স্বচ্ছ ভারত মিশনের টাকা খরচের      নিরিখে পিছিয়ে রয়েছে পূর্ব বর্ধমান, দক্ষিণ দিনাজপুর, দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলা।
  • Link to this news (বর্তমান)