• জটিল রোগে আক্রান্ত তিন সন্তানকে নিয়ে অসহায় গাড়িচালকের পরিবার
    বর্তমান | ০৫ আগস্ট ২০২৪
  • সংবাদদাতা, ইসলামপুর: জটিল রোগে আক্রান্ত তিন সন্তান। তাদের চিকিৎসা খরচ জোগাড় করতে পারছেন না পেশায় গাড়িচালক পিতা সহিদুল। বাবা, মায়ের সামনে বিনা চিকিৎসায় সন্তানরা প্রায় শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে থাকার করুণ ছবি দেখা গেল ইসলামপুরের মিরবস্তি ধানতলায়। 


    সহিদুল ও সুরেজা খাতুনের বড় ছেলে সোয়েব মহম্মদ (২৫), মেজ জামসেদ আলম (২০) ও ছোট সাদ্দাম সুহেন (১৫)। সহিদুল বলেন, প্রত্যেক ছেলের বয়স ১০ পার হতেই ওই রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তিনজনের একই লক্ষণ। প্রথমে পা ফুলে মোটা হয়ে যায়। তারপর আর চলাচল করতে পারে না। আস্তে আস্তে শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে। হাত, পা সোজা করতে পারে না। পায়ের হাড় বেঁকে যায়। ছোট ছেলে এখন একটু হাঁটাচলা করতে পারলেও কিছুদিন পর থেকে আর মনে হয় পারবে না।


    এই জটিল রোগের চিকিৎসার জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল, দিল্লি ও রাজস্থানে চিকিৎসার জন্য ছুটেছিলেন সহিদুল। তাতে কাজ হয়নি। উন্নত চিকিৎসার সামর্থ্যও নেই তাঁর।


    সহিদুল বলেন, অন্যের মারুতি ভ্যান চালিয়ে দিনে ৩০০ টাকা পাই। তা দিয়েই সংসার চলে। কয়েক বছর আগে তিন সন্তানের প্রতিবন্ধী সাটিফিকেট হয়েছে। তিনজনই প্রতিমাসে এক হাজার টাকা করে পাচ্ছে। কিন্তু ওই টাকা চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট নয়। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সহ অন্য জনপ্রতিনিধিরা বিষয়টি জানেন। প্রায় ৪ বছর আগে বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী এলাকায় এসেছিলেন। সেসময় তিনি ৫ হাজার টাকা দিয়েছিলেন।


    জামসেদের কথায়, ১০ বছর থেকে আমি অসুস্থ। এখন চলাফেরা করতে পারি না। শুনেছি ভেলোরে চিকিৎসা হতে পারে। কিন্তু টাকা না থাকায় যেতে পারছি না। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য নাফিজ নুর বলেন, কিছু সাহায্য করা যায় কি না প্রধানের সঙ্গে আলোচনা করব।  বাবা-মায়ের সঙ্গে আক্রান্ত তিন সন্তান।-নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)