সংবাদদাতা, তপন: তপন হাইস্কুলে ঢুকলেই চোখে পড়ে একপাশে পুরাতন বিল্ডিংয়ে কয়েকটি ঘর পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। খেলার ছলে, সাইকেল রাখতে পড়ুয়ারা প্রায় সেদিকে যায়। বিল্ডিংয়ের সানশেড খসে পড়েছে, দেওয়ালে ফাটল। যে কোনও সময় ভেঙে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিভাবক থেকে শুরু করে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষিকারা। বিপজ্জনক ঘরগুলি কেন ভেঙে ফেলা হচ্ছে না, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক তথা অভিভাবক অলোক সরকার বলেন, পুরনো বিল্ডিংটি যে শুধুমাত্র ঝুঁকিপূর্ণ তা নয়, স্কুলে ঢুকলেই জঞ্জালে ভরা এই ভাঙাচোরা ঘরগুলি পরিবেশ খারাপ করছে। এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।
১৯৪২ সালে স্থাপিত এই স্কুলে ছাত্র সংখ্যা প্রায় ১২০০। সহ-শিক্ষক ও পার্শ্বশিক্ষক মিলিয়ে রয়েছেন প্রায় ২৭ জন। নতুন ঘর নির্মাণ করা হলেও পুরনো বিল্ডিং এখনও রয়ে গিয়েছে। সেটির অবস্থা দেখে বিপদের আশঙ্কা করছেন অনেক অভিভাবক। কনিকা রায় সরকার বলেন, আমার ছেলে ও মেয়ে এই স্কুলে পড়ে। এই পুরনো ঘরগুলির জন্য বাচ্চাদের নিয়ে আতঙ্কে থাকি। তাড়াতাড়ি সেগুলি ভেঙে ফেলার ব্যবস্থা করা হোক। এবিষয়ে তপন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক কাজী আবদুল মৌদুদের মন্তব্য, ওই ঘরগুলি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। সেগুলি এখন আর কোনও কাজে ব্যবহার হয় না। স্কুল কর্তৃপক্ষ চাইলেই বিল্ডিং ভাঙতে পারে না। তবে অনুমতির জন্য বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন জানিয়েছি। দ্রুত পুরনো বিল্ডিং ভেঙে ফেলার ব্যবস্থা করা হবে। নিজস্ব চিত্র