কুশমণ্ডির সরলা হাইস্কুলের চার ছাত্রী বাংলার অনূর্ধ্ব ১৭ মহিলা ফুটবল দলে
বর্তমান | ০৬ আগস্ট ২০২৪
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: কুশমণ্ডির সরলা হাইস্কুলের চার ছাত্রী বাংলার অনূর্ধ্ব ১৭ মহিলা ফুটবল দলে সুযোগ পেল। সরলা হাইস্কুলের মহিলা ফুটবল দল বারবার জেলা, বাংলা ও দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছে। এবারেও কাঁচরাপাড়ায় বাংলা দল বাছাই পর্বে ডাক পায় এই স্কুলের চার ছাত্রী। রুবিনা সরকার, তৃপ্তি সরকার, তুলিকা সরকার, রূপা সরকার অনূর্ধ্ব ১৭ বাংলার হয়ে মহিলা ফুটবল দলে ২২ জনের টিমে নিজেদের জায়গা পাকা করে নিয়েছে। দু’জন গোলকিপার, একজন স্ট্রাইকার ও একজন মিডল ফিল্ডার হিসেবে খেলবে। আগামী ৭ আগস্ট অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুর স্টেডিয়ামে বাংলার মহিলা ফুটবল দলের প্রথম খেলা রয়েছে। গত বছর সরলা স্কুলের মেয়েরা অনূর্ধ্ব ১৪ বাংলা মহিলা ফুটবল দলে সুযোগ পেয়ে পাঞ্জাবে খেলতে যায়। গোয়াতে জাতীয় দলে সুযোগ পায় সরলার তুলিকা সরকার ও রুবিনা সরকার। ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের পশ্চিমবঙ্গ শাখার পক্ষ থেকে বাংলা মহিলা ফুটবল অনূর্ধ্ব ১৭ খেলোয়াড় নির্বাচনে তিনটি ক্যাম্প হয়েছিল। সেই ক্যাম্পে স্কুলের অষ্টম ও নবম শ্রেণির ১৪ জন অংশগ্রহণ করে। পরবর্তীতে বাংলা মহিলা ফুটবল দল নির্বাচনে চার জন মেয়ে ডাক পেয়েছিল। চার জনই সুযোগ পেয়েছে। এই সাফল্যে স্কুলের শিক্ষক থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা খুশি হলেও অভিভাবকরা মেয়েদের ভবিষৎ দেখতে পাচ্ছেন না।
অভিভাবকদের অভিযোগ, কুশমণ্ডি সরলা স্কুলের মহিলা ফুটবল টিম দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ও রাজ্যের নাম উজ্জ্বল করছে। বাংলা ও জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পেলেও সরকারি ভাবে যাতায়াত খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে। বিভিন্ন ক্যাম্পে মেয়েদের পাঠাতে গেলে স্কুলের গরিব দুঃস্থ পরিবারকেই সেই খরচ বহন করতে হচ্ছে। মিলছে না খেলোয়াড়দের কোনও উৎসাহী ভাতা।
কুশমণ্ডির এক মহিলা ফুটবলারের অভিভাবক সুদেব সরকার বলেন, যেসব মহিলা ফুটবলার কলকাতায় ক্লাবের হয়ে খেলছে তারাই কিছু অর্থ পাচ্ছে। তা দিয়ে নিজেদের খেলার সামগ্রী থেকে নিজের হাতখরচ চালাতে পারছে। যারা বাংলা ও দেশের জন্য খেলার সুযোগ পাচ্ছে তাদের সরকারিভাবে পাশে দাঁড়িয়ে উৎসাহী ভাতা দেওয়া হোক। সরলা হাইস্কুলের কোচ রঞ্জন সরকার বলেন, আমাদের স্কুলের মেয়েরা এবারেও অনূর্ধ্ব ১৭ বাংলার হয়ে মহিলা ফুটবল দলে সুযোগ পেয়েছে। - নিজস্ব চিত্র