• অশান্ত বাংলাদেশ, অনুপ্রবেশ নিয়ে নজরদারি নলহাটি রেলপুলিসের
    বর্তমান | ১২ আগস্ট ২০২৪
  • সংবাদদাতা, রামপুরহাট: বাংলাদেশের উত্তপ্ত পরিস্থিতির এই মুহূর্তে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলায় আসার চেষ্টা চালাচ্ছেন অনেকে। এই সুযোগে জঙ্গিরা ভারতে ঢুকে নাশকতা চালাতে পারে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তাই আগেভাগেই সতর্ক হল নলহাটি রেল পুলিস। বাড়ানো হল নজরদারি। রেলের জায়গায় নতুন করে কেউ যাতে ঘর তৈরি করে বসবাস শুরু না করেন, তা নিয়ে এলাকাবাসীকে সচেতন করলেন তারা। 


    শেখ হাসিনা বিরোধী আন্দোলনের জেরে অশান্ত বাংলাদেশে নির্যাতিত হতে হচ্ছে অনেককে। নিরাপত্তাহীনতায় তাঁরা ভারতে আশ্রয় নিতে চাইছেন। তবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে তাঁদের বিএসএফের বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। যদিও সীমান্তের বেশ কিছু এলাকা অসুরক্ষিত রয়েছে। সেখানে নেই কাঁটাতার। সেই এলাকা দিয়ে তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করতে পারে। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে পারে ওপারের জঙ্গি সংগঠন। 


    বাংলাদেশ ঘেঁষা মুর্শিদাবাদ জেলা। মুর্শিদাবাদ আর নলহাটি লাগোয়া। কোনওভাবেই যাতে সীমান্তে কেউ অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সেই কারণে সদা সতর্ক বিএসএফ। এবার দেশের অভ্যন্তরে সতর্ক রেল পুলিস। কারণ, নলহাটিতে রেলের বহু অব্যবহৃত জায়গা রয়েছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে অনেকেই এসে সেই সব জায়গা দখল করে ঝুপড়ি বানিয়ে বসবাস করছেন। এদিন নলহাটি পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে রেলের জায়গায় বসবাসকারীদের সতর্ক করতে আসেন রেল পুলিস। 


    ওই এলাকার বাসিন্দা রসিদা বিবি বলেন, আরপিএফের অফিসাররা এসে বলে গেলেন, নতুন করে কেউ যেন ঝুপড়ি বা ঘর বানিয়ে বসবাস শুরু না করেন। আমরা বলেছি, আর কেউ বাড়িঘর করবে না। সেব্যাপারে আমরা নজর রাখব। শুধু তাই নয়, ভবঘুরের বেশেও স্টেশন চত্বর বা প্লাটফর্মে আশ্রয় নিতে পারেন অনেকে। তাঁদের উপরও নজরদারি শুরু করেছে রেল পুলিস। 


    নলহাটি আরপিএফ ইন্সপেক্টর সকলদেব কুমার বলেন, সামনে স্বাধীনতা দিবস। আর এই মুহূর্তে পাশের বাংলাদেশের অবস্থা খুবই খারাপ। এর প্রভাব পড়তে পারে ভারতে। তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে স্টেশনে যাত্রীদের চেকিং করা হচ্ছে। কেউ পাগলের বেশে স্টেশনে আশ্রয় না নেয় বা রেলওয়ে ট্রাকে কিছু দিয়ে দুর্ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা না করেন, সে ব্যাপারে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি চেকিং শুরু হয়েছে।
  • Link to this news (বর্তমান)