• কোভিড আবহে পিছোল পুরভোট, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন
    এই সময় | ১৫ জানুয়ারি ২০২২
  • এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা পরিস্থিতিতে চার পুরসভার ভোট পিছিয়ে দেওয়া হলে আপত্তি নেই, শনিবারই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিল রাজ্য। এই চিঠি পাওয়ার পরেই ভোট পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। জানা গিয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে কবে হবে গণনা সেই বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে প্রচার সংক্রান্ত বিধিনিষেধ এক থাকছে। অর্থাৎ নিয়মবিধি মেনে করা যাবে প্রচার। নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টায় আগে প্রচার বন্ধ করতে। উল্লেখ্য, ২২ জানুয়ারি বিধাননগর , চন্দননগর, শিলিগুড়ি এবং আসানসোল এই চার পুরসভার ভোট হওয়ার কথা ছিল। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়ে জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সমাজকর্মী বিমল ভট্টাচার্য। এই মামলায় তাঁর আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে বলেন, 'সাগরমেলার ক্ষেত্রে পুণ্যস্নানের নির্দিষ্ট দিন আছে। কিন্তু, নির্বাচনের ক্ষেত্রে তো তেমনটা নয়।'

    এরই প্রেক্ষিতে রাজ্য কমিশনের আইনজীবী জিষ্ণু সাহা বলেন, 'রাজ্য সরকার এখনও মানুষের যাতায়াতের উপর কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করেনি। সম্পূর্ণ লকডাউনও ঘোষণা হয়নি। তাই নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার কোনও যুক্তি নেই।'এদিকে হাইকোর্ট এই মামলায় জানতে চায় করোনা পরিস্থিতিতে আদৌ কি চার পুরসভায় ভোট করানো সম্ভব?

    যদি ভোট পিছিয়ে দিতে হয় সেক্ষেত্রে তা কী ভাবে সম্ভব? অন্যদিকে, শনিবারই চিঠি দিয়ে নির্বাচন কমিশনকে রাজ্য জানায়, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমস্ত রকমভাবে প্রস্তুত সরকার। কিন্তু, যদি পুরভোট পিছিয়ে যায় সেক্ষেত্রে রাজ্যের আপত্তি নেই। এরপরেই নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। তবে নতুন করে মনোনয়ন জমা দেওয়া। জারি থাকবে আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, করোনা আবহে যে কোনও ধরনের ভোট পিছিয়ে দেওয়া উচিত। তবে এই মন্তব্য সম্পূর্ণভাবে তাঁর ব্যক্তিগত বলে জানিয়েছিলেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য বিভিন্ন মহলে প্রশংসা পেয়েছিল। চিকিৎসকদের একাংশ তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক এবং করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এই মুহূর্তে ভোট করা উচিত নয় বলেই মতামত প্রকাশ করেছিলেন চিকিৎসক মহলের একাংশ।

    কলকাতার আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন। প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন এই সময় ডিজিটালে।
  • Link to this news (এই সময়)