সংবাদদাতা, কাটোয়া: আরজি কর নিয়ে অনেকদিন ধরে প্রশ্ন রয়েছে। ৬০০কোটি টাকার ওষুধ বিক্রি থেকে অনেক খারাপ কাজ বহু বছর ধরে সিপিএম আমল থেকেই ওখানে হয়ে আসছে। কেউ ভয়ে হাত দেয়নি। কী রহস্য আছে সিবিআই তদন্ত করে বের করবে। সোমবার সকালে কাটোয়া শহরে চায়ে পে চর্চায় আরজি কর কাণ্ড নিয়ে সিপিএমকে তুলোধোনা করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। মর্মান্তিক এই ঘটনার রহস্য আস্তে আস্তে উন্মোচিত হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এমনকী সেখানে এর আগেও অনেক চিকিৎসক খুন হয়েছেন। সব আত্মহত্যা দাবি করে চেপে দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন দিলীপবাবু। যদিও এব্যাপারে সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য অচিন্ত্য মল্লিক পাল্টা বলেন, সিপিএম প্রতিবাদ করেছে। তাই দিলীপবাবুদের কাছে সিপিএম শত্রু।
এদিন দিলীপবাবু মহিলাদের হাতে রাখি পরান। তিনি বলেন, রাজ্যে চিরদিন মাতৃশক্তির পুজো হয়। আমরা সারা বছর দুর্গা, কালী, সন্তোষী মা, দেশমাতৃকার পুজো করি। সুরক্ষার জন্য আমি মহিলাদের হাতে রাখি বাঁধলাম। এতদিন আমরা জানি বোনেরা ভাইদের হাতে রাখি বাঁধেন। বিপত্তারিণী পুজোয় আমাদের হাতে পুরোহিত সুতো বেঁধে দেন সুরক্ষার জন্যই। মহিলাদের হাতে রাখি বেঁধে তাঁদের সুরক্ষার শপথ নেওয়ার জন্য বলেন তিনি। দিলীপবাবু পুলিসের উদ্দেশে বলেন, পুলিসের বন্ধুদের কাছে আপিল করুন, আপনাদের কিসের বাধ্যবাধকতা? আপনাদের চাকরি করে খেতে হয়। মানুষ আপনাদের বিশ্বাস করে। কেন ভয় করছেন? জেনে রাখুন একদিন এই ঘটনা আপনাদের বাড়ির মেয়েদের সঙ্গেও হতে পারে। আপনারা কেন এই পাপের ভাগীদার হবেন? সিবিআই যারা দোষী তাদের ডাকতে শুরু করেছে। প্রিন্সিপালকে ডেকেছে। আমরাও চেয়েছি যে পুলিস কমিশনার মানুষকে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন তাঁকেও ডাকা উচিত। দিলীপবাবু এদিন শাসকদলকেও একহাত নেন। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন। পুলিসকে দিয়ে চেষ্টা হয়েছে। মাথাকে সিবিআই ধরেছে। দোষীরা সাজা পাক। সত্য ঘটনা সামনে আসুক। কিন্তু তাঁর পার্টির মধ্যেও যাঁরা সত্যটাকে স্বীকার করেছেন তাঁদের দল থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। সুখেন্দুবাবুর মতো লোককে পুলিস দিয়ে ডেকে পাঠানো হচ্ছে। এমনকী প্রাক্তন সাংসদ চিকিৎসক শান্তনু সেন মুখ খুলেছেন। কারণ তাঁর মেয়েও আজ বিপন্ন। তাঁকেও সরিয়ে দেওয়া হল। কতজনের মুখ বন্ধ করবেন? মানুষ রাস্তায় নামছে। দিলীপের হুঁশিয়ারি, বাংলাদেশে দেখুন পুলিসকে তাড়া করে কিরকম মেরেছে। জনগণ খেপে গেলে পুলিসকে পেটানো শুরু করবে। প্রিন্সিপালও সত্যকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। মানুষের সহ্যের সীমা পার হয়ে যাচ্ছে। কাল যদি পুলিসকে বয়কট করেন, আক্রমণ করেন, আপনারা তখন কোথায় যাবেন? সেই পরিস্থিতি যেন না আসে। ডার্বি ম্যাচ বন্ধ প্রসঙ্গেও দিলীপবাবু এদিন বলেন, দর্শকদের যুবভারতীতে ঢুকতে দেওয়া হল না। তাঁদের বঞ্চনা করা হয়েছে। এদিন কাটোয়া শহরের ঘোষেশ্বরতলা থেকে মিছিল করেন দিলীপবাবু। তবে সকালে স্টেশনে চায়ে পে চর্চা থেকে বিকেলে মিছিলেও বিজেপির সাংগঠনিক কাটোয়া জেলা সভাপতি গোপাল চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর অনুগামীদের দেখা যায়নি। এব্যাপারে দলের মিডিয়া সেলের ইনচার্জ অশোক রায় বলেন, আমাদের জানানো হয়নি। তাই আমাদের দেখা যায়নি। জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, দিলীপ ঘোষ