নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করতে ভাঙা হচ্ছে হস্টেলের পাশে ভবন
বর্তমান | ২০ আগস্ট ২০২৪
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: মেডিক্যালে নার্সিং পড়ুয়াদের হস্টেলের পাশেই রয়েছে পরিত্যক্ত ভবন। নিরাপত্তার ফাঁক গলে সন্ধ্যা হলেই সেই ভবনে আসর বসায় বহিরাগতরা। ফোয়ারা ছোটে মদ-জুয়ার। আর জি কর কাণ্ডের পর নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করতে এবার ওই পরিত্যক্ত ভবন ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিল জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল সূত্রে খবর, নার্সিং পড়ুয়াদের হস্টেলের পাশে ওই পরিত্যক্ত ভবনটি একসময় জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিস ছিল। তবে শুধু ওই ভবন নয়, মেডিক্যাল চত্বরে আর কোথায় কোথায় পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে, তা খতিয়ে দেখার কাজ শুরু হয়েছে। দ্রুত সেগুলি চিহ্নিত করে ভেঙে ফেলা হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ।
জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজের সুপার ডাঃ কল্যাণ খাঁ বলেন, মেডিক্যালের অধীন সদর হাসপাতাল চত্বরে নার্সিং পড়ুয়াদের হস্টেলের পাশে থাকা একটি পরিত্যক্ত ভবন ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওই ভবনে রাতের বেলা যাতে কোনও ধরনের অসামাজিক কাজকর্ম না হতে পারে, সেই লক্ষ্যে এই উদ্যোগ। মেডিক্যাল চত্বরে এ ধরনের আর কোনও পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে কি না, তা দেখা হচ্ছে। পরিত্যক্ত ভবনগুলি ভাঙার জন্য স্বাস্থ্যভবনের কাছে তহবিল চাওয়া হয়েছে।
এদিকে, আর জি কর কাণ্ডের পর রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজকে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, তা দিয়ে ৩২টি সিসি ক্যামেরা কেনা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই অর্ডার দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, আরও বেশি ক্যামেরা প্রয়োজন। তারজন্য ফের স্বাস্থ্যভবনের কাছে তহবিল চেয়েছে মেডিক্যাল