• হাইকোর্ট-কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে এবার নয়া টার্গেট অভিষেকের
    এই সময় | ১৫ জানুয়ারি ২০২২
  • এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বক্তব্যেই সিলমোহর দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন (State Election Commission)। রাজ্যে চার পুরসভার ভোট নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানাল কমিশন। করোনা আবহে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেই বিষয়টিকেই কার্যত মান্যতা দেওয়া হল। টুইট করে ধন্যবাদ জানালেন সাংসদ নিজেই। তিনি লেখেন, 'কলকাতা হাইকোর্ট এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে মন থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।'

    অভিষেকের নয়া টার্গেট

    এদিন ফের এক নয়া টার্গেট নিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটে তিনি লেখেন, 'তিন সপ্তাহের জন্য নির্বাচন পিছিয়ে গিয়েছে। ফলে আগামী ৩ সপ্তাহের মধ্যে বাংলার কোভিড পজিটিভিটি রেট আমাদের তিন শতাংশের নীচে নামিয়ে ফেলতে হবে। এটাই হবে আমাদের চ্যালেঞ্জ। সকলকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়তে হবে। এটাই হবে বর্তমানে আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।'

    উল্লেখ্য, করোনা আবহে পিছিয়ে গেল চার পুরসভার ভোট। শনিবারই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিল রাজ্য। এই চিঠি পাওয়ার পরেই ভোট পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। বিধাননগর , চন্দননগর, শিলিগুড়ি এবং আসানসোলে ভোট হওয়ার কথা ছিল ২২ জানুয়ারি। বদলে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি হবে গণনা। তবে প্রচার সংক্রান্ত বিধিনিষেধ একই থাকছে। অর্থাৎ নিয়মবিধি মেনে করা যাবে প্রচার। নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টায় আগে প্রচার বন্ধ করতে। কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সমাজকর্মী বিমল ভট্টাচার্য। এই মামলায় তাঁর আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে বলেন, 'সাগরমেলার ক্ষেত্রে পুণ্যস্নানের নির্দিষ্ট দিন আছে। কিন্তু, নির্বাচনের ক্ষেত্রে তো তেমনটা নয়।' রাজ্য কমিশনের আইনজীবী জিষ্ণু সাহা বলেন, 'রাজ্য সরকার এখনও মানুষের যাতায়াতের উপর কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করেনি। সম্পূর্ণ লকডাউনও ঘোষণা হয়নি। তাই নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার কোনও যুক্তি নেই।'

    প্রসঙ্গত, গত শুনানিতে চার পুরসভার সংক্রমণের ছবি জানতে চেয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে ওই মামলার শুনানি ছিল। হাইকোর্ট রাজ্য সরকার ও রাজ্য কমিশনের কাছে জানতে চায়, আদৌ এই পরিস্থিতিতে ভোট করানো সম্ভব কিনা। ভোটগ্রহণ কেন্দ্র থেকে কোনওভাবে সংক্রমণ ছড়াবে না, তা নিশ্চিত করবে কে, তা নিয়েও হাইকোর্ট সরকার এবং কমিশনকে প্রশ্ন করে। ভোট হওয়া উচিত না অনুচিত তা নিয়ে রাজ্য বা কমিশন কেউই হ্যাঁ বা নাতে উত্তর দিতে না পারায় হাইকোর্ট খানিকটা উষ্মা প্রকাশ করেছিল। এরপরেই কার্যত বিরক্তি প্রকাশ করে হাইকোর্ট। তবে শেষ পর্য়ন্ত পুরভোট পিছনোর পক্ষেই রায় দিল আদালত।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • Link to this news (এই সময়)