ডাক্তারদের কর্মবিরতির বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে বড় নির্দেশ HC-র, দ্রুত শুনানি কি হবে?
হিন্দুস্তান টাইমস | ০৪ অক্টোবর ২০২৪
সম্প্রতি দ্বিতীয় দফায় পূর্ণ কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সেই মামলার দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়ে হাই কোর্টে মামলাও হয়েছে। তবে সেই মামলার পরিপ্রিক্ষিতে উচ্চ আদালত জানিয়ে দিল, দ্রুত শুনানির আর্জি মঞ্জুর করা যাবে না। মামসাকারীকে এই নিয়ে অবকাশকালীন বেঞ্চে যেতে বলা হয়। এই আবহে দুর্গাপুজোর পরে হাই কোর্টে অবকাশকালীন বেঞ্চে দ্রুত শুনানি সংক্রান্ত মামলাটি উঠতে পারে। উল্লেখ্য, জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতির বিরুদ্ধে হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলাটি করেছিলেন এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ডিরেক্টর। নাম রাজু ঘোষ। তাঁর অভিযোগ ছিল, আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এই আবহে তাঁদের এই কর্মবিরতি আদালত অবমাননার সামিল।
উল্লেখ্য, সাগর দত্ত হাসপাতালে চিকিৎসকদের ওপর হামলার আবহে গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতভর বৈঠক করেছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এরপর ১ অক্টোবর ফের অনির্দিষ্টকালের জন্যে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিলেন তাঁরা। এই আবহে গত বৃহস্পতিবার কর্মবিরতির বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল হাই কোর্টে। এরপর, আজ, শুক্রবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি বিভাস পট্টনায়কের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন করে আর্জি জানানো হয়। কিন্তু প্রধান বিচারপতি সেই আবেদন গ্রহণ করলেন না। বদলে তিনি জানান, পুজোর পরে হাই কোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ বসলে প্রথমেই এই মামলা শোনা হবে।
এদিকে দ্বিতীয় দফায় জুনিয়রদের ডাকা এই কর্মবিরতি প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছেন বহু সিনিয়র চিকিৎসক। এই আবহে আন্দোলনে মতভেদ দেখা দেওয়ায় বৈঠকে বসেছেন সিনিয়র ও জুনিয়ররা। আর সিনিয়রদের পরামর্শ নেওয়ার পর নিজেদের মধ্যে জিবি বৈঠক করেছেন জুনিয়ররা। ৯ অগস্ট আরজি কর হাসপাতাল থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের পর থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে ছিলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। পরে জেনারেল বডি বৈঠকের পর ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে কাজে ফেরার বার্তা দেয়। তবে এর কয়েকদিন যেতে না যেতেই ফের কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয় জুনিয়র চিকিৎসকদের তরফ থেকে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, বৃহস্পতিতে আরজি কর হাসপাতালের সিনিয়রদের সঙ্গে বৈঠকের পরই জুনিয়ররা নিজেদের মধ্যে জেনারেল বডির বৈঠক করেন। আরজি করের জিবি বৈঠকের পর রাতেই সবগুলি মেডিক্যাল কলেজের প্রতিনিধিদের নিয়ে পৃথক একটি জিবি বৈঠকও শুরু হয়। সেই বৈঠকেই আন্দোলনের আগামী পন্থা নিয়ে আলোচনা হয়। টানা ১০ ঘণ্টা চলে সেই বৈঠক।