জেলা বিজেপি সূত্রের খবর, এ দিন বিকেল চারটে নাগাদ সিঙ্গুরের সাহানাপাড়া থেকে এক সময়ের প্রকল্প এলাকার মেশিনারি গেট পর্যন্ত দলীয় মিছিল হবে। মিছিল শেষে সভাও হবে। সিঙ্গুরের জমিতে যে শেষ পর্যন্ত কিছু হল না, সে কথাই ফের শুভেন্দু বলতে আসছেন এলাকাবাসীকে। পাশাপাশি, সিঙ্গুরেযে শিল্প স্থাপনের চেষ্টার জন্য তিনি রতন টাটাকে শ্রদ্ধাও জানাবেন।
সিঙ্গুরের ওই জমির একাংশ এখনও চাষযোগ্য হয়নি। তা ব্যবহারযোগ্য করার দাবিতে চাষিদের একাংশ ফের রাজ্য সরকারের কাছে দরবার শুরু করেছে। সেই নিরিখে সিঙ্গুরে বিরোধী দলনেতার রতন টাটাকে শ্রদ্ধা জানাতে আসার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কেউ কেউ।
বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন,‘‘সিঙ্গুরে রতন টাটার প্রকল্পটি হলে রাজ্যে শিল্পের চেহারা বদলে যেত। একটা ৯৫ শতাংশ হওয়া কারখানা তৃণমূল হতে দেয়নি। সে জন্য এ রাজ্যের মানুষ কোনও দিনই তৃণমূলকে ক্ষমা করবে না। সেই কথাটিই ফের মনে করাতে এবং প্রয়াত রতন টাটাকে শ্রদ্ধা জানাতেই বিরোধী দলনেতা সিঙ্গুরে আসছেন।’’
বিজেপির অভিযোগ মানেনি তৃণমূল। দলের শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরিন্দম গুঁইনের দাবি, ‘‘তৃণমূল কোনও দিন শিল্পের বিরোধিতা করেনি। টাটা চলে যাক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও দিন চাননি। তিনি চেয়েছিলেন, শিল্প হোক। পাশাপাশি ঊর্বর জমি ফেরত দেওয়া হোক। তিনিই লড়াই করে চাষিদের জমি ফিরিয়েছেন। উনি (শুভেন্দু) রাজনীতি করতে আসছেন।’’