সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: মিড-ডে মিলের খাবার খাওয়ার জন্য পড়ুয়াদের আর বাড়ি থেকে থালা ও জলের বোতল বয়ে আনতে হবে না। স্কুল থেকেই মধ্যাহ্নভোজ গ্রহণের জন্য প্রত্যেক পড়ুয়াকে থালা ও গ্লাস সরবরাহ করা হবে। নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরুতে কোচবিহার জেলের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিলের নতুন বাসনপত্র পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক স্কুলেই পড়ুয়াদের ব্যবহারের জন্য স্টিলের থালা ও গ্লাস পৌঁছে গিয়েছে।
কোচবিহার জেলায় মোট প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৮৫৩ টি। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় এক লক্ষ ৮৩ হাজার। প্রত্যেকটি স্কুলের খুদে পড়ুয়াদের জন্য মাথাপিছু একটি করে থালা ও একটি করে গ্লাস দেওয়া হচ্ছে। থালা ও গ্লাস বিলির এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অভিভাবকরা। তাঁদের বক্তব্য, বইয়ের সঙ্গে থালা গ্লাস বয়ে নিয়ে যাওয়া ছোটদের ক্ষেত্রে অনেকটাই কষ্টসাধ্য। এবার সেটা লাঘব হবে। নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরুতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি নতুন থালা ও গ্লাস পেয়ে খুশি পড়ুয়ারাও।
এর আগেও শিক্ষাদপ্তর বাসনপত্র দিয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ উঠেছিল, সিংহভাগ স্কুলেই সেগুলি ঠিকভাবে ব্যবহার হয়নি। অব্যবহৃত অবস্থায় দীর্ঘদিন এক জায়গায় পড়েছিল। মরচে ধরে সেগুলি নষ্ট হয়ে যায়। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়াতে এবার শুরু থেকেই বাসনপত্রগুলি ব্যবহারের নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে স্কুলগুলিকে।
শুক্রবার ডিপিএসসি চেয়ারম্যান রজত বর্মা জানিয়েছেন, নতুন থালা ও গ্লাস স্কুলেই থাকবে। খাবার খাওয়ার সময় সেগুলি পড়ুয়ারা ব্যবহার করবে। তারপর পরিষ্কার করে স্কুলেই রেখে দিতে হবে। জেলার সমস্ত স্কুলেই নতুন থালা ও গ্লাস বিলি করা হয়েছে। কোচবিহার জেলায় মোট ২৬টি শিক্ষা সার্কেল রয়েছে। মেখলিগঞ্জ শিক্ষা সার্কেলের বারুণী হরিবাসর ফোর্থ প্ল্যান প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক বিদেশ সিংহ বলেন, কয়েকদিন হল পড়ুয়াদের জন্য স্কুলে নতুন থালা ও গ্লাস এসেছে।