• ডিভোর্স মামলায় রত্নার আর্জি খারিজ হাইকোর্টে, কল্যাণ-মন্তব্যে চাইতে হল ক্ষমা
    আজ তক | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  • শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের আলিপুর আদালতে বিচারপ্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন জানিয়েছিল রত্না চট্টোপাধ্যায়। সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি হাইকোর্ট। এদিকে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে নিজের মন্তব্যের জন্য এ দিন আদালতে ক্ষমাও চান রত্না। 

    গত কয়েক বছর ধরে চলছে শোভন চট্টোপাধ্যায় ও রত্না চট্টোপাধ্যায়ের। সেই ২০১৭ সালে আলিপুর আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছিলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র। শোভনের পক্ষে সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। রত্নার পক্ষে সাক্ষী দিয়েছেন ৪ জন। অতিসম্প্রতি রত্না নিম্ন আদালতে আর্জি করেন, তাঁর পক্ষে আরও কিছু সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হোক। তা খারিজ করে শুনানি শুরুর নির্দেশ দিয়েছিল আলিপুর আদালত। সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করেই কলকাতা হাইকোর্টের শরণাপন্ন হন তৃণমূল বিধায়ক।

    শুক্রবার রত্নার আর্জি খারিজ করে হাইকোর্টের বিচারপতি হীরন্ময় ভট্টাচার্যের নির্দেশ,'দ্রুত এই বিবাহ বিচ্ছেদের মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে আলিপুর আদালতকে। তাঁর পর্যবেক্ষণ, আলিপুর আদালতের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।  

    রত্নার ক্ষমাপ্রার্থনা

    এদিকে, শোভনের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে কল্যাণকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। রত্নার মন্তব্যে হাইকোর্টের গোচরে এনে মামলা করার আবেদন করেছিলেন কল্যাণ। তবে রত্না যেভাবে ক্ষমা চেয়েছেন তাতে খুশি হন আর এক আইনজীবী জয়দীপ কর। তাঁর বক্তব্য,'ক্ষমা চাইতে হবে বলে ক্ষমা চাওয়া নয়, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চান'।

    কল্যাণের বক্তব্য ছিল, রত্না চট্টোপাধ্যায় একটি সংবাদ মাধ্যমে বলেন,'আমি কল্যাণদার কথাতেই শোভনকে বিবাহবিচ্ছেদ দিচ্ছি না। হাইকোর্টে এক ঘণ্টা উনি পরামর্শ দিয়েছেন। ডিভোর্স দিবি না, লড়াই কর, আমি তোর পাশে আছি'। যা আদালত অবমাননা বলে
  • Link to this news (আজ তক)