অর্ণবাংশু নিয়োগী: তফশিলি জাতির হওয়ায় শিব মন্দির ব্যবহার করতে দিচ্ছে না। বৈঠক করে জেলা প্রশাসন মীমাংসা করে নিতে বলেছিল। কিন্তু 'সিডিউল কাস্ট' বলে তাদের ঢুকতে দিতে বাধা দিচ্ছে কিছু লোকজন। তাই আগামী গাজনের মেলায় শিব মন্দিরে ঢোকার অনুমতি ও সন্ন্যাসী হতে চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ তফশিলি জাতির বাসিন্দারা।
অভিযোগ শুনে চরম বিরক্ত কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের সাফ প্রশ্ন, "কি করে এটা হয়? পুলিসের ভূমিকা কী? একটা মানুষ তার অধিকার পাবে না! এটা তো বাংলায় ছিল না। এমন সমস্যা এখনও বাংলায় নেই বলে বিশ্বাস করি। তবে কেন তারা উৎসবে যোগ দিতে পারবে না! কিসের ইগো? তাহলে পুলিস কী করছে? আবার বলছি, এই সমস্যা বাংলায় ছিল না। তাহলে বলতে বাধ্য হচ্ছি, এটা পুলিসের অক্ষমতা।"
কড়া নির্দেশ দেন, "ওসি নয়, কোনও সিনিয়র অফিসারকে দায়িত্ব নিতে হবে। পিছনে যদি অন্য কোনও কারণ থাকেও সেটাও খুঁজে দেখা পুলিসের কাজ। শুধু অফিসে বসে বসে রিপোর্ট তৈরি করছে! আবার বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে হবে।" শুক্রবার ফের মামলার শুনানির নির্দেশ বিচারপতি দত্ত।
নদিয়ার বৈরামপুরে কালীগঞ্জ থানা এলাকার প্রাচীন শিব মন্দির। সাধারণের ব্যবহারের মন্দির বলে নথিতে লেখা রয়েছে। কিন্তু অভিযোগ, এলাকার ধোপা সম্প্রদায়ের লোকজনকে মন্দিরের ভিতর ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। তাঁরা গাজনে অংশ নিতে চান। কিন্তু তাঁদেরকে সেই অধিকার দেওয়া হচ্ছে না।