জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: 'ফুরফুরা শরীফে মুখ্য়মন্ত্রী। বললেন, 'আমি মনে করি, বাংলার মাটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মাটি। আমি যেমন দোল হোলির মোবারক জানিয়েছি, এই রমজান মাসে সকলের রোজা আল্লা তালা কবুল করুক। আমি সকলের হয়ে দোয়া প্রার্থনা করব। সকলে শান্তিতে থাকুন'।
বছরে ঘুরলেই বিধানসভা ভোট। ছাব্বিশের আগে নয়া সমীকরণ? রমজান মাসে ফুরফরা শরীফে এবার সরকারি উদ্যোগে ইফতার। সেই ইফতারে যোগ দিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, বৈঠক করলেন পীরজাদাদের সঙ্গে।
এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর ফুরাফুরা শরীফ যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। মমতা বলেন, 'আগে আমি খুব আসতাম। আকবর আলি খদ্দেকার আমাকে অনেকবার নিয়ে এনেছে। ১৬ বার এসেছি আমি। ফলে এটা আমার কাছে নতুন কিছু নয়। খারাপ লাগে এটাই, আজকে আমি দেখছিলাম কিছু সোশ্য়াল নেটওয়ার্ক, কিছু কিছু টিভি চ্য়ানেল বলছে, এটা কি ভোটের সমীকরণ? আমি তাঁদের বলি, আমি যখন কাশী বিশ্বনাথে যাই, এই প্রশ্ন তো করেন না। আমি যখন পুষ্কর যাই, তখন তো এই প্রশ্ন করেন না। আমি যখন খ্রিস্টানদের নাইট সাফারে যাই, তখন তো এই প্রশ্ন করেন না। আমি যখন দুর্গাপুজো করি, তখন তো এই প্রশ্ন করেন না। আমি যখন কালীপুজো করি তখন তো এই প্রশ্ন করেন না'।
মুখ্যমন্ত্রীর আরও বক্তব্য, 'জেনে রাখুন, আমি খ্রিস্টানদের উত্সবেও যাই। আমি ঈদ মোবারকেও যাই। আমি ইফতার নিজে করি। রোজাতেও যাই, ইফতারে যাই, ঈদেও যাই। আমি পঞ্জাবিদের গুরুদ্বারেও যাই, গুজরাটিদের ডান্ডি নাচেও যাই। দোল পূর্ণিমাতেও যাই, মহবীর জৌনের কাছেও যাই'।
এর আগে, গত সোমবার নবান্নে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘটনাচক্রে, তিনি ফুরফুরা শরীফের একজন পীরজাদা। সেই বৈঠকে ৮ দিনের মাথায় ফুরফুরায় গেলেন মুখ্যমন্ত্রী।