অরূপ বসাক: মালবাজার মহকুমার নাগরাকাটার উপকণ্ঠে জলঢাকার তীরে দেখা মিলল এক ঝাঁক শকুনের। দীর্ঘদিন পরে ওই এলাকায় শকুনের দেখা মেলায় উচ্ছ্বসিত পরিবেশপ্রেমীরা। এদিন নাগরাকাটা লাগোয়া ১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে যে রাস্তাটি খাসবস্তির দিকে চলে গিয়েছে, সেখানেই নদীর ধারে এক ঝাঁক শকুনকে দেখা যায়।
সেখানে কী করছিল সেগুলি?
শকুনগুলি একটি মৃত গরুর অবশেষ ভক্ষণ করতে এসেছিল। অনেকদিন পরে একসঙ্গে এতগুলি শকুনকে দেখতে পেয়ে রীতিমতো কৌতূহল ছড়ায় এলাকায়। অনেকেই ভিড় জমান।
কী বলছেন পরিবেশপ্রেমীরা?
পরিবেশপ্রেমীরা বলছেন, নানা কারণে শকুনের সংখ্যা ক্রমশ কমছে। অথচ, বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় এই পাখিটির গুরুত্ব অপরিসীম। খাসবস্তি-লাগোয়া সুলকাপাড়ার ফরিদুল হক নামে এক পরিবেশপ্রেমী বলেন, এক সময় জলঢাকা এলাকা শকুনের বিচরণক্ষেত্রের জন্য সুপরিচিত ছিল। মাঝে অনেকদিন বিষয়টি দেখা যায়নি। বহুদিন পরে আবার এখানে শকুনদের দেখা মিলল। এটা অত্যন্ত আনন্দের খবর।
উত্তরবঙ্গের বিশিষ্ট পরিবেশবিদ ও পরিবেশপ্রেমী সংগঠন হিমালয়ের নেচার অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশনের মুখপাত্র অনিমেষ বসু বলেন, জলঢাকার তীরে যেসব শকুনগুলিকে দেখা গিয়েছে সেগুলি হিমালয়ান গ্রিফন প্রজাতির। আকারে বেশ বড় হয় এরা। এই ধরনের শকুনও বিপন্ন তালিকাভুক্ত। মূলত শীতকালে হিমালয় এলাকা থেকে নেমে আসে এরা। গরম পড়তেই তাদের ফের হিমালয়ে ফিরে যাওয়ার সময় হয়।