• ডুয়ার্সের রেলপথে নয়া প্রযুক্তি! হাতিমৃত্যু রুখতে ১০৮ কিমি এলাকা জুড়ে চলছে বিশাল কাজ...
    ২৪ ঘন্টা | ২১ মার্চ ২০২৫
  • অরূপ বসাক: রেললাইনে হাতিমৃত্যু রুখতে ১০৮ কিমি এলাকা জুড়ে প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হল। ডুয়ার্সের জঙ্গল-এলাকা দিয়ে গিয়েছে রেললাইন। আবার সেই রেললাইন বহু জায়গায় ক্রস করে গিয়েছে হাতি করিডর। ফলে, এ-পথে বহুবার হাতি-ট্রেনের সংঘর্ষ ঘটেছে।

    সেই রুটে এবার এই নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। সেবকের গুলমা থেকে আলিপুরদুয়ার পর্যন্ত অংশে শুরু এই ইনট্রুশন ডিটেকশন সিস্টেম প্রযুক্তির ব্যবহারের। সাময়িকভাবে বিভিন্ন জায়গায় চলছে ট্রায়াল। 


    হাসিমারা, বিন্নাগুড়ি, সেবক, গুলমা, চালসা, মালবাজার, গরুমারা, লাটাগুড়ি স্টেশন জুড়ে হাতি করিডর আছে। মাঝেমধ্যেই এই এলাকাগুলিতে রেল লাইনের উপর চলে আসে হাতি। অনেক সময় রেললাইনে হাতি উঠে পড়ায় হাতির মৃত্যু ঘটে। ঘটেছেও বহুবার। আবার অনেক সময় চালকের তৎপরতায় রক্ষা পেয়েছে হাতির প্রাণ।

    তবে, আর যাতে হাতি-মৃত্যু না ঘটে, সেজন্য এই এলাকাগুলিতে চলছে বিশেষ প্রযুক্তির ব্যবহার। কী ভাবে কাজ করবে এই প্রযুক্তি? জানা গিয়েছে, রেলপথে হাতিদের আনাগোনা হলেই ফাইবারে তরঙ্গ উঠবে। সেই তরঙ্গ-অ্যালার্ট পৌঁছে যাবে সংলগ্ন গেটম্যান, স্টেশন মাস্টার, লোকোপাইলট ও গার্ডের কাছে। শুধু তাই নয়, রেলপথে নাশকতা, ফাটল, ভূমিধস এবং বর্ষায় রেলপথ ডুবে যাওয়ার ক্ষেত্রেও অ্যালার্ট দেবে ওই প্রযুক্তি। ফলে ওই প্রযুক্তি দুর্ঘটনা এড়াতেও এবার সাহায্য করবে বলে দাবি রেলের কর্তাদের।

    রেলের সিগনাল ও অন্য খবর আদানপ্রদানের জন্য ইতিমধ্যেই দেশ জুড়ে রেললাইন বরাবর অপটিক্যাল ফাইবার পাতা হয়েছে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের জেনারেল ম্যানেজার চেতন শ্রীবাস্তব বলেন, উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল বিভিন্ন ভাবে প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে বন্যপ্রাণীদের সঙ্গে সংঘর্ষ রোখার চেষ্টা করছে। যাতে রেল চলাচলে বাধা না আসে সেটাও দেখা হচ্ছে। আবার বন্যপ্রাণ সুরক্ষিত রাখার বিষয়টাও নজরে রয়েছে।

  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)