জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্য়ুরো: ফের 'ব়্যাগিং'। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলে যখন ব়্যাগিংয়ের অভিযোগ করেছেন এক পড়ুয়া, তখন তাঁর বিরুদ্ধেই আবার হামলার অভিযোগও জমা পড়ল! যতকাণ্ড যাদবপুরে।
ঘটনাটি ঠিক কী? অভিযোগকারী যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম স্টাডিজের এমএ দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তাঁর অভিযোগ, 'আজ থেকে ২ দিন আগে মেইন হস্টেলে A 1 ব্লকের পঁচিশ নম্বর ঘরে, আমি এক পরিচিতের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলাম। খানিকক্ষণ কথাবার্তাও বলি। তারপর সে একটু বেরিয়েছিল। ও যখন ফেরে, তখন ওর সাথে যাঁদের আমি অভিযুক্ত করেছি, তাঁদের পুরো গ্রুপ একইসাথে ঘরে ঢোকে। ঘরে ঢোকার পরেই আমাকে অকথ্য় ভাষা গালিগালাজ করা শুরু করে। মাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া পর্যন্ত পৌঁছে যায়'।
২ পার। ২০২৩ সালে ৯ অগাস্ট দবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলের ৩ তলা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছিল প্রথম বর্ষের পড়ুয়া। পরের দিন হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ, 'ওই পড়ুয়ার মৃত্যুর সঙ্গে র্যাগিংয়ের যোগ রয়েছে'। ঘটনার তোলপাড় হয়েছিল গোটা রাজ্য।
এবার যিনি ব়্যাগিংয়ের অভিযোগ করেছেন, সেই ছাত্রের দাবি, 'এটা আসলে পূর্ব ঘটনায় আক্রোশের উপর দাঁড়িয়ে ঘটনা থেকে করা। সেই ৯ অগাস্টের ঘটনা থেকে আমি ক্যাম্পাসের ব়্যাগি বিরোধিতায় সরব। এই দশ-পনেরো জন্য একটি গ্রুপ বারবার করে এমন ঘটনা ঘটাচ্ছে যে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় কালিমালিপ্ত হচ্ছে'।
এদিকে অভিযোগকারীর ছাত্রের বিরুদ্ধে হেনস্তায় অভিযোগ করেছেন যাদবপুরেরই এক অধ্য়াপক। গত ২ মার্চ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দিয়ে বিক্ষোভের মুথে পড়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। ওই অধ্যাপকের দাবি, সেদিন পিছন থেকে এসে তাঁকে সজোরে লাথি মেরেছিলেন ওই ছাত্র। উপাচার্য ভাস্কর গুপ্ত বলেন, 'অভিযোগ দিতে এসেছিল, যা বলেছেন। তদন্ত সাপেক্ষ। সবই হবে। এটাকে ব়্যাগিং বলা যাবে না, টেকনিক্যালি সেটাও প্রশ্ন'। তাঁর মতে, 'ক্ষমতার প্রসঙ্গটাই সবচেয়ে বড়। সিনিয়র জুনিয়র সব কিছুর বাইরে'।