• কুম্ভে মৃতের পরিবারকে পাঁচ লক্ষ টাকা নগদ সাহায্য যোগী সরকারের
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ২২ মার্চ ২০২৫
  • কুম্ভে পদপিষ্টের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল আসানসোলের বাসিন্দা বিনোদ রুইদাসের। এবার তাঁর পরিবারকে অর্থ সাহায্যে বাড়িতে হাজির হল উত্তরপ্রদেশের পুলিশ। মৃতের পরিবারকে পাঁচ লক্ষ টাকা অর্থ সাহায্য দিয়ে উত্তরপ্রদেশে ফিরে গিয়েছে যোগীর পুলিশ। যদিও বিনোদ রুইদাসের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবার কোনও ডেথ সার্টিফিকেট পায়নি। এই ঘটনায় যথেষ্ট বিড়ম্বনায় রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

    কোনও কাগজপত্র ছাড়া ওই টাকা ব্যাঙ্কে রাখতে গিয়ে যথেষ্ট সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। টাকা জমা দেওয়ার সময় ব্যাঙ্কের আধিকারিকরা প্রশ্ন করেন, কীভাবে ওই টাকা এল? ঘটনা খুলে বলার পর তাদের কাছে প্রমাণপত্র দেখতে চাওয়া হয়েছে। আর এই ঘটনায় যথেষ্ট বিব্রত বোধ করছেন মৃত বিনোদ রুইদাসের পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাটি জানাজানি হতেই যথেষ্ট রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

    সূত্রের খবর, উত্তরপ্রদেশ সরকারের চারজন পুলিশ বুধবার রাতে বিনোদ রুইদাসের আসানসোলের বাড়িতে হাজির হন। তাঁদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাঁরা কুম্ভমেলায় মৃতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের টাকা দিতেই বাড়িতে এসেছেন। এই বলে পরিবারের সদস্যদের হাতে তাঁরা একটি বড় খাম তুলে দেন। তবে ব্যাঙ্কের চেকের বদলে কেন নগদ টাকা তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হল, তা নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন দেখা দিয়েছে।

    পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মৃতের পরিবারকে পাঁচ ভাগে মোট পঁচিশ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এব্যাপারে মৃতের স্ত্রী শর্মিলা রুইদাসের কাছ থেকে সই নেওয়া হয়েছে। সই নেওয়া হয়েছে তাঁর বৃদ্ধ শ্বশুর ও শাশুড়ির কাছ থেকে। তবে যে টাকা দেওয়া হয়েছে, সেই টাকার সপক্ষে কোনও লিখিত কাগজপত্র না দেওয়ায় সমস্যায় পড়েছে পরিবার। নগদ ওই অর্থ যে উত্তর প্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সাহায্য বাবদ দেওয়া হয়েছে, আইনের চোখে তা প্রমাণ করার কোনও উপায় নেই।

    মৃতের স্ত্রী শর্মিলা রুইদাস দাবি করেছেন, ব্যাঙ্কে টাকা জমা দেওয়ার সময় কারণ জানতে চাইলে তাঁরা সব খুলে বলা সত্ত্বেও ব্যাংক ম্যানেজার বিশ্বাস করতে চাইছেন না। সেজন্য পরিবারের দাবি, ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়ার সময় উপযুক্ত কাগজপত্র দেওয়া হোক হোক, যাতে তাঁদের হাতে নির্দিষ্ট প্রমাণপত্র থাকে।
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)