নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে পড়ল বাস। জখম হয়েছে প্রায় ২০ জন যাত্রী। জখমদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যান্ত্রিক গোলযোগের জেরেই নিয়ন্ত্রণ হারায় বাসটি। এর জেরেই ঘটেছে দুর্ঘটনা। হুগলি গ্রামীণের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কৃশানু রায় বলেছেন, ‘মা অন্নপূর্ণা নামের একটি বাস রাস্তার ধারে পড়ে যায়। ২০ জন জখম হয়েছিলেন। তাঁদের চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এক জনকে আরামবাগে রেফার করা হয়েছে। বাসটার যান্ত্রিক গোলযোগ হয়েছিল। সে জন্যই নিয়ন্ত্রণ হারায়।’
শনিবার সকাল ৯টা নাগাদ হুগলি জেলার পুরশুড়ার হরিহর এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটে। খানাকুলের পানসিউলি থেকে তারকেশ্বর যাওয়ার পথে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে জমিতে পড়ে বাসটি। এই ঘটনার জেরে প্রায় ২০ জন জখম আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। এই দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসেন পুড়শুনা থানার ওসি শুভজিৎ দে। সেখান থেকে আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় পুরশুড়া ব্লক হাসপাতালে।
আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনা নিয়ে বাসের চালক গণেশ ঘোষ বলেছেন, ‘বাস ৭টা ৫ মিনিটে পানসিউলি থেকে ছেড়েছিলাম। মোটামুটি যাত্রী ছিল। হঠাৎ করে আওয়াজ হল। মনে হল, স্টিয়ারিং কেটে গেল। তখনই একটা গর্ত পড়েছিল। সেখানে বাঁ-দিকে কাটাতে গিয়ে বাসটা ঠিক থাকেনি। পাশে গিয়ে পড়ল। আমি পিছনে দিয়ে হেলে মাথা গেল ঠুকে। আমারও লেগেছে।’
খানাকুলের পানসিউলি থেকে তারকেশ্বর যাওয়ার পথে পুড়শুড়ার হরিহর এলাকায় উল্টে যায় বাসটি। সে সময় বাসের গতি অনেকটাই বেশি ছিল। এর জেরে তা নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা হয় আহতদের। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
দুর্ঘটনা নিয়ে বাসের চালক গণেশ ঘোষ বলেছেন, ‘বাস ৭টা ৫ মিনিটে পানসিউলি থেকে ছেড়েছিলাম। মোটামুটি যাত্রী ছিল। হঠাৎ করে আওয়াজ হলো। মনে হলো স্টিয়ারিং কেটে গেল। তখনই একটা গর্ত পড়েছিল। সেখানে বাঁ-দিকে কাটাতে গিয়ে বাসটা ঠিক থাকেনি। পাশে গিয়ে পড়ল। আমি পিছনে দিয়ে হেলে মাথা গেল ঠুকে। আমারও লেগেছে।’
এই দুর্ঘটনা নিয়ে হুগলি গ্রামীণের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কৃশানু রায় বলেছেন, ‘মা অন্নপূর্ণা নামের একটি বাস রাস্তার ধারে পড়ে যায়। ২০ জন আহত হয়েছিলেন। তাঁদের চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এক জনকে আরামবাগে রেফার করা হয়েছে। বাসটার যান্ত্রিক গোলযোগ হয়েছিল। সে জন্যই নিয়ন্ত্রণ হারায়।’