কোতুলপুর থানার শাহানা রঘুনাথপুর গ্রামের দক্ষিণপাড়ায় পাঁচ শরিকের একটি পুকুর রয়েছে। পুকুর সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। রবিবার থেকে কাজ শুরুর কথা ছিল। তার আগেই ফরিদুর রহমান ভুঁইয়া নামে এক শরিক বেঁকে বসেন। এনিয়ে বচসার সূত্রপাত হয়। ক্রমেই তা হাতাহাতির পর্যায়ে চলে যায়। সেই সময় ফরিদুর তুতো ভাই হাসিবুর রহমান ভুঁইয়ার শরীরে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। গুরুতর জখম হন হাসিবুর। তাঁকে উদ্ধার করে কোতুলপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আরামবাগ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর অবস্থা সঙ্কটজনক বলেই জানা গিয়েছে। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন হাসিবুর।
এদিকে ঘটনার কথা জানাজানি হতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ফরিদুরের দোকান-বাড়ি ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। বিশাল পুলিশ বাহিনী এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার বৈভব তিওয়ারি বলেন, ‘গন্ডগোলের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। মূল অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে।’ স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘পুকুর সংস্কারে ফরিদুরের মত ছিল। পরে তিনি মত বদল করেন। এই নিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত। ফরিদুর পেট্রল এনে খুড়তুতো ভাই হাসিবুরকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে। এরপর গ্রামের মানুষ ক্ষেপে গিয়ে ফরিদুরের দোকান-বাড়ি ভাঙচুর করে।’