অর্ণবাংশু নিয়োগী: নিমতলা মহাশ্মশান। আটটি চুল্লি প্রায় সর্বক্ষণই সক্রিয়। স্বজন হারিয়ে শেষ বিদায় বেলায় মানুষের দুঃখের বহিঃপ্রকাশ চোখে তো পড়েই। কিন্তু এমন একটি প্রাণের কথা বলব একটু আলাদা।
ঠিক এক বছর আগে ঘটনা। পরিবার তাদের স্বজনকে নিয়ে এসেছিলেন শ্মশানে। তাদের সঙ্গে পায়ে পায়ে চলে এসেছিল একটি সারমেয়। স্বজনের শেষকৃত্যের পর পরিবারের সবাই বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। কিন্তু সারমেয়টি আর বাড়ি ফেরেনি। মহাশ্মশানের এক এবং দু নম্বর চুল্লির সামনেই দেখা যায়। এক প্রকার মন মরা অবস্থাতেই তাকে দেখতে পাওয়া যায়।
শ্মশানে কর্মীদের কথায়, ঠিক দু নম্বর চুল্লীতেই ওই স্বজনের দেহ সৎকার হয়েছিল। তারপর থেকে সারমেয়টি ওখানেই অপেক্ষা করে। ওখান থেকে সরানোর চেষ্টা করা হলেও ব্যর্থ হয়েছেন কর্মীরা। ঠিক ঘুরেফিরে সেখানে গিয়েই বসবে অথবা শুয়ে সময় কাটাবে।