• হেভিওয়েট তৃণমূল নেতাদের এক্ষুনি গ্রেফতার করুন, বিচারকের রায় শুনে...
    ২৪ ঘন্টা | ২৫ মার্চ ২০২৫
  • পার্থ চৌধুরী: বেশ কয়েকজন বড় তৃণমূল নেতাকে হেফাজতে নেবার নির্দেশ বিচারকের। এই ঘটনায় পূর্ব বর্ধমান জেলা আদালতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সোমবার। যাদের গ্রেফতারের নির্দেশ হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান ও তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ধমান ১ ব্লকের সভাপতি কাকলী তা গুপ্ত, যুব নেতা ও পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ মানস ভট্টাচার্য সহ অন্যান্যরা।

    জানা গেছে,  বিগত ২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর পূর্ব বর্ধমানের নাড়ীগ্রাম দাসপাড়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।  সেই ঘটনায় আহত হন তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেসেরই পঞ্চায়েত সদস্য জীবন পালের বাবা দেবু পাল। তাঁর মা সন্ধ্যারাণী পাল ৬ সেপ্টেম্বর বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ ছিল, শাসকদলের ক্ষমতাসীন নেতারা দেবুকে বেধড়ক মারধর করে। তাঁর চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    ওই মামলা এতদিন আদালতে বিচারাধীন ছিল। সোমবার ফাস্ট ট্রাক সেকেণ্ড কোর্ট বিচারক অরবিন্দ মিশ্র  এই  মামলায় ১৩ জনকে হেফাজতে নেবার নির্দেশ দেন। বাকি দুজন বেকসুর খালাস হন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে কাকলী তা গুপ্ত, মানস ভট্টাচার্য,  অঞ্চল সভাপতি শেখ জামাল, রায়ান গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কার্তিক বাগ-সহ আরো তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীরা। এই রায়ে তৃণমূল শিবিরে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। বিধায়ক সহ দলের নেতা,কর্মীরা আদালতে ছুটে আসেন।

    সরকারি আইনজীবী হরিদাস মুখার্জি জানান, বিচারক এদের হেফাজতে নেবার নির্দেশ দিয়েছেন। আগামিকাল তার রায় ও সাজা ঘোষণা করার কথা। তারপর বিস্তারিত বলা যাবে। অন্যদিকে, অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী বিশ্বজিৎ দাস ও কমল দত্ত জানান,  এই মামলায় কোনো তেমন সাক্ষ্যপ্রমাণ নেই। তবুও কীভাবে এই রায় হল তা আশ্চর্যের।  এই রায়ে তারা অবাক। আগামিকাল বিচারকের সাজা ঘোষণার পর তারা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবেন।

  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)