• তেঁতুলের মধ্যে কন্ডোম! কলকাতায় ঘটল ভয়াবহ ঘটনা, গা ঘিনঘিন করে উঠল নেটপাড়ার
    হিন্দুস্তান টাইমস | ২৫ মার্চ ২০২৫
  • তেঁতুলের মধ্যে পাওয়া গেল কন্ডোম! এমনই ভয়ংকর ঘটনার শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করলেন কলকাতার যুবতী কস্তুরী চট্টোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেছেন, চাটনি করার জন্য মা একটি মেট্রো স্টেশন লাগোয়া একটি দোকান থেকে তেঁতুল কিনে নিয়ে আসেন। আর চাটনি করার আগে দেখতে পান যে তেঁতুলের মধ্যে কন্ডোম পড়ে আছে। পুরোপুরি তেঁতুলের মধ্যে সেটা লেপটে ছিল। যে ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চূড়ান্ত উষ্মাপ্রকাশ করেছেন যুবতী। তিনি বলেন, ‘আমার জীবনের সবথেকে খারাপ অভিজ্ঞতা। চাটনি তৈরির জন্য আমার মা স্থানীয় বাজার থেকে তেঁতুল কিনেছিল। ঈশ্বরের কৃপায় রান্নার আগে মা তেঁতুলটা দেখেছিল। ওটার মধ্যে একটা কন্ডোম ছিল। বাজার থেকে কিনে আনা হয়েছিল তেঁতুল।’

    তিনি জানিয়েছেন, তাঁরা তো তবুও কন্ডোমটা দেখতে পেয়েছেন বলে পুরো তেঁতুলটা ফেলে দিয়েছেন। কিন্তু আরও যাঁরা তেঁতুল কিনে নিয়ে গিয়েছেন, তাঁরা তো জানেনও না যে কী নোংরা এবং বিষাক্ত জিনিস খেতে হচ্ছে। আর সেই পরিস্থিতিতে বাকিদের সতর্ক করার জন্য পুরো বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন যুবতী।

    সেইসঙ্গে তেঁতুলের মধ্যে থাকা কন্ডোমের ছবিও পোস্ট করেছেন কস্তুরী। যে পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সাত ঘণ্টায় ইতিমধ্যে ২৫০ জনের মতো ফেসবুক ব্যবহারকারী সেই পোস্ট শেয়ার করেছেন। গুটিকয়েক নেটিজেন মজা করলেও পুরো পরিস্থিতিটার কথা ভেবে বাকিদের গা ঘিনঘিন করে উঠেছে। কেউ-কেউ পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়েরেরও পরামর্শ দিয়েছেন।


    যদিও আপাতত পুলিশে অভিযোগ দায়েরের পথে হাঁটেননি যুবতী। তিনি বলেছেন, ‘একজন মহিলা বিক্রি করেন। তিনি সংসার চালানোর জন্য সবজি বিক্রি করেন। যেখান থেকে তিনি জিনিসপত্র কিনছেন , দোষটা হয়তো তাদের। তাই মা আবেগপ্রবণ হয়ে বিষয়টায় পুলিশকে জড়াতে চাইছে না।’


    তবে যে বিক্রেতার থেকে তেঁতুল কেনা হয়েছিল, তাঁর কাছে মঙ্গলবার মা যাবেন বলে জানিয়েছেন যুবতী। তিনি বলেছেন, ‘আজ তো । যিনি সাপ্লায়ার্স, তাঁকেও পুরো বিষয়টা বলে এসেছে মা।’


    আর সেই সাপ্লায়ার্স যা বলেছেন, তা ভয়ংকর। ‘হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা’-কে যুবতী বলেন, ‘সাপ্লায়ার্স বলেছেন, যে মার্কেট থেকে একসঙ্গে অনেকটা নিয়ে আসেন। অত খুঁটিয়ে দেখেন না। ওখানকার বাজারের অবস্থা নাকি অত্যন্ত খারাপ। সবজির মধ্যে নাকি মরা টিকটিকি পড়ে থাকে। আরও কী থাকে, তার কোনও ইয়ত্তা নেই। ওখান থেকেই বিভিন্ন জায়গায় জিনিসপত্র পায়। তাই দোকানিদের ভালোভাবে দেখে জিনিসপত্র বিক্রি করতে হবে বলে জানিয়েছেন সাপ্লায়ার্স।’
  • Link to this news (হিন্দুস্তান টাইমস)