চিংড়িঘাটা শান্তিনগরে তরুণীকে থান ইঁট দিয়ে মারধর। ফ্ল্যাটের উপর থেকে তোলা ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে ইতিমধ্য়েই। একেবারে শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। গাড়ি পার্কিং করা নিয়ে ঝামেলা। দুজন তার গাড়ি ভাঙচুর করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। আর তার প্রতিবাদ করতেই একেবারে ভয়াবহ ঘটনা। থানা থেকে ফিরেই তরুণীকে তুমুল মারধর। একেবারে প্রকাশ্য রাস্তায় থান ইঁট দিয়ে মার। অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকায় তৃণমূল কর্মী বলেই পরিচিত। পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির স্ত্রী যিনি নিজেও মারধরে যুক্ত বলে অভিযোগ তাকে গ্রেফতার করেছে।
‘আমি কর্মসূত্রে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে ওখানে থাকি। ১৯ তারিখ রাতে আমি ও আমার বান্ধবী, আমার ভাই ছিল। আমার চারচাকা গাড়িটি পার্ক করতে গিয়েছিলাম। সেই সময় প্রচন্ড নেশা করেছিল কয়েকজন। তারা আমার গাড়িটাকে আটকায়। পার্কিংয়ে ঢুকতে দেয়নি। হর্ন দি। আমাকে বলে এখানে কেন গাড়ি রাখছেন। আমি বলি এখানে গাড়ি রাখি। আমি তার চার্জ দিয়ে থাকি। আমাকে বলে কেন দেন, কাকে বলে দেন। প্রচন্ড নেশা করেছিল ওরা। আমরা কোনও কথার জবাব দিই নি। অশ্লীলভাষায় টিটকিরি করছিল। আমরা তারপরেও কিছু বলিনি। আমি ওপরে চলে যাই। রুম থেকে পার্কিং দেখা যায়। ওপর থেকে দেখলাম দুজন পার্কিংয়ের দিকে গেছে। এরপরই তাড়াতাড়ি ওপর থেকে নামি। আমি গিয়ে দেখি দুটো ইঁট দিয়ে গাড়িটাকে ভাঙবে। সেটা নিয়ে তর্ক হল। যখন দেখছি শুনছে না পুলিশকে ১০০ ডায়ালে ফোন করি। এরপর পুলিশ নাম ফোন নম্বর নেয়। সকালে ছেড়ে দেয় ওদের। এরপর সকালে আমার রুমে গিয়ে নক করে কয়েকজন। বলল ক্লাবে দেখা করতে। আমি আর আমার বান্ধবী যায়। তখন ওই ব্যক্তির স্ত্রী এসে মারল। এরপর ওই ব্যক্তি এসে থান ইঁট দিয়ে মারতে শুরু করল। এরপর পুলিশকে ফোন করি। পুলিশ আসার আগেই টিঙ্কু মণ্ডল বলে লোকটা পালিয়ে গেল। প্রায় ৩০জন এলাকায় দাঁড়িয়েছিল। সবাই দেখল। কেউ বাঁচাতে এগিয়ে এল না। ’
তিনি বলেন, ‘দুটো ইঁট নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে দুজন। বলল এই গাড়িটা ভাঙব। আমার সঙ্গে তখন তর্ক বিতর্ক হয়। আমি ১০০ ডায়াল করে ফোন করি। তখন দুই যুবককে নিয়ে থানায় তুলে নিয়ে যায়। ১৯শে মার্চ পরের দিন রুমে যখন ঘুমোচ্ছি তখন দরজায় নক করি। বলল ক্লাবে কথা হবে। নীচে থেকে নামতেই বলল ইঁট দিয়ে মাথা ফাটাই। প্রথমে আমাদের চড় মারল। টিঙ্কু মণ্ডল এসে থান ইঁট দিয়ে মারল। এরপর ১০০ ডায়ালে ফোন করি। এই ভিডিয়ো আমার ভাই তুলেছিল ওপর থেকে। এরপর আমরা থানায় যাই। পরের দিন থানা থেকে আমায় বলে যে ইঁটটা দিয়ে মেরেছিল সেটা আনলেন না কেন? ’