• 'আরজি করে গণধর্ষণ হয়েছিল কি… তদন্তে গাফিলতি ছিল কি…', বড় মন্তব্য BJP নেত্রী
    হিন্দুস্তান টাইমস | ২৬ মার্চ ২০২৫
  • আরজি করের চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের মামলায় কলকাতা হাই কোর্টে প্রশ্নের মুখে পড়েছে সিবিআই। এই আবহে বেশ কিছু সওয়াল তদন্তকারীদের কাছে উত্থাপন করেছে উচ্চ আদালত। এদিকে এই ইস্যুতে সিবিআইকে তোপ দেগেও হাই কোর্টে হওয়া মামলার আইনি বৈধতা নিয়ে কার্যত প্রশ্ন তুলেছে রাজ্য সরকার পক্ষ। আর এই নিয়ে এবার বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করলেন শাসকদল তৃণমূলকে।


    বার্তাসংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল বলেন, 'সকলের মনে এই প্রশ্ন ছিল, এটা গণধর্ষণ ছিল কি না, তদন্তে কোনও গাফিলতি হয়েছে কি না, কোনও ধামাচাপা আছে কি না... এবং যদি এই সবকিছুই ছিল, তাহলে এই অপরাধের পিছনে কারা আছে?... কিন্তু এই ক্ষেত্রে আমরা রাজ্য সরকারের ভয়ের কারণটা বুঝতে পারছি না।' তিনি বলেন, 'আমরা এর আগে দেখেছি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন যে অপরাধীর ফাঁসি হওয়া উচিত। সেখানে রাজ্য সরকার কেন কলকাতা হাই কোর্টে গিয়ে এই প্রশ্ন করছে যে এই মামলায় রিট আবেদন গ্রহণযোগ্য কি না? এর থেকেই মনে প্রশ্ন জাগে যে রাজ্য সরকারের তরফ থেকেই এই ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'

    এর আগে গত ২৪ মার্চ কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ সিবিআইকে প্রশ্ন করেছিলেন, আরজি কর মামলায় কি নির্যাতিতা কি গণধর্ষণের শিকার? এদিকে এই মুহূর্তে মামলার তদন্ত কোন পর্যায়ে দাঁড়িয়ে, তাও জানতে চায় আদালত। পাশাপাশি আরও একাধিক প্রশ্নে বিদ্ধ হয় সিবিআই। সুযোগ বুঝে রাজ্যের তরফ থেকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও সিবিআইকে বিঁধে সওয়াল করেন। সঙ্গে তিনি সেই রিট পিটিশনের আইনি বৈধতা নিয়েও আবার প্রশ্ন করেন।

    রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ মার্চের শুনানিতে আদালত সিবিআইকে প্রশ্ন করে, 'এটা গণধর্ষণ না ধর্ষণ? গণধর্ষণ হলে সন্দেহভাজন কারা? পরে আর কী তদন্ত করলেন? একটা চার্জশিটের পর আর কোনও চার্জশিট দেননি। যেহেতু এই মামলায় একজনের সাজা হয়েছে, সেখানে কোন কোন ধারায় চার্জ গঠন করা হয়েছে? সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিই কি একমাত্র অভিযুক্ত, নাকি আরও কেউ জড়িয়ে আছে?' এই আবহে সিবিআই-এর তরফে আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার বলেন, 'আমাদের আরও একটু সময় দেওয়া হোক।' তখনই বিচারপতি প্রশ্ন করেন, 'সব অফিসাররা তৈরি থাকলে আবার কী সমস্যা আপনাদের?'

    এদিকে এদিন রাজ্যের তরফ থেকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'আমাদের কোনও তদন্তে আপত্তি নেই। তবে আদালত কী ট্রায়ালের পর কাউকে ফের তদন্তের কথা বলতে পারে? ট্রায়াল কোর্টের কাছে যান নি। এই গত এক বছর ধরে সিবিআই কী করছে, সেটা মানুষ জানতে চায়। এদিকে নির্যাতিতার পরিবার হাই কোর্টে কেন এসেছে? বিশেষ আদালতে আবেদন জানাচ্ছে না কেন?' আর কল্যাণের এহেন প্রশ্নের ভিত্তিতে এবার পালটা প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন বিজেপির প্রিয়াঙ্কা।
  • Link to this news (হিন্দুস্তান টাইমস)