কিরণ মান্না: দীঘা জগন্নাথমন্দিরের উদ্বোধন শুধু সময়ের অপেক্ষা। জগন্নাথদেবের সঙ্গে চৈতন্যদেবের নিবিড় সংযোগ রয়েছে। মন্দিরের মূল ফটকের কাছে তৈরি হচ্ছে জগন্নাথগেট। যার গায়ে লেখা থাকবে জগন্নাথ দেবের বিভিন্ন বাণী, তাঁর কাহিনি।
আর এরই মাঝে দীঘার অদূরে, কাঁথি শহরে ইতিমধ্যেই মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে নিপুণ শিল্পকলাসমন্বিত সুদৃশ্য চৈতন্যমন্দির। যা জগন্নাথদেবের সঙ্গে ঐতিহ্যের সংযোগ বহন করবে। সাধারণ পর্যটক থেকে ভক্তদের কাছে আকর্ষণীয় তীর্থস্থান হয়ে উঠবে এই মন্দির। চৈতন্যদেবের এমন স্থায়ী মন্দির ভারতের প্রথম ১০-এর মধ্যে স্থান পেতে চলেছে বলে দাবি উদ্যোক্তাদের।
চৈতন্যদেবের স্থায়ী মন্দির খুব কমই তৈরি হয়েছে ভারত জুড়ে। তথ্য বলছে, সারা দেশে হাতে গোনা মাত্র কয়েকটি চৈতন্যদেবের স্থায়ী মন্দির রয়েছে। কাঁথির ঐতিহ্যবাহী ১২৫ বছরের পুরাতন হরিসভার পাশে গড়ে উঠেছে সুবিশাল চৈতন্য মন্দির। চলতি বছরের ৩০ এপ্রিলে অক্ষয় তৃতীয়ার দিন দীঘার জগন্নাথধামের দ্বারোদঘাটন হচ্ছে। তার আগে আগামী ১১ এপ্রিল চৈতন্যদেবের মন্দিরের শুভ প্রতিষ্ঠা ও শ্বেত প্রস্তরের চৈতন্য মহাপ্রভুর স্থায়ী বিগ্রহ স্থাপন হবে।
সঙ্গে হরিসভার ১২৫ তম প্রতিষ্ঠা দিবসও উদযাপন হবে। দীঘা থেকে মেরিন ড্রাইভ হয়ে প্রায় ৩২ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে কাঁথি পৌঁছে সহজেই পর্যটকেরা এই তীর্থ স্থানে পৌঁছতে পারবেন। দর্শন সারতে পারবেন দূর-দূরান্তের ভক্তরাও। অনেক জানা-অজানা তথ্য ও কাহিনি অবলম্বনে সাজিয়ে তোলা হবে কাঁথির চৈতন্যদেবের মন্দির। উদ্যোক্তারা জানাচ্ছেন, সারা বছর ধরে চৈতন্যদেবের নিত্য পুজো হবে এখানে। সঙ্গে থাকবে প্রসাদ বিতরণ, বিবাহ অনুষ্ঠান, সমাজসেবামূলক নানা কাজের পরিকল্পনা।