• ‘‌পর্ষদ রাজ্যের সব স্কুলগুলির জন্য প্রশ্ন তৈরি করবে’‌, বড় ঘোষণা পর্ষদের সভাপতির
    হিন্দুস্তান টাইমস | ২৮ মার্চ ২০২৫
  • এই বছর প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ প্রাথমিকের পড়ুয়াদের জন্য দ্বিতীয় ও তৃতীয় সামেটিভ প্রশ্নপত্র করবে। এতদিন স্কুলগুলি তা করত। সেই সব প্রশ্নের উত্তর লিখিত আকারে দিত পড়ুয়ারা। কিন্তু তাতে কি পড়ুয়াদের শিক্ষার বিকাশ ঘটছে?‌ কতটা শিক্ষিত হচ্ছে তারা?‌ ছকের বাইরে থাকা প্রশ্নের উত্তর কি তারা দিতে পারবে?‌ এখন এইসব প্রশ্নই বড় হয়ে দেখা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কাছে। তাই এবার সেসব সরেজমিনে জেনে নিতে চাইছে পর্ষদ। আর তাই এবার প্রাথমিকের পড়ুয়াদের জন্য দ্বিতীয় ও তৃতীয় সামেটিভ প্রশ্নপত্র করবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। আজ, বৃহস্পতিবার সে কথা জানিয়ে দিলেন পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল।

    এদিকে এই সামেটিভ পরীক্ষা করে হবে সেটা খোলসা করে বলেননি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি। তবে একটা রুটিন থাকবে। সেটার উপর ভিত্তি করেই হবে সামেটিভ পরীক্ষা। এই বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল বলেন, ‘‌স্কুলগুলি নিজেরা প্রশ্ন করলে অনেক সময় প্রশ্নের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়। পর্ষদ রাজ্যের সব স্কুলের জন্য প্রশ্ন করলে একটা নির্দিষ্ট মান থাকবে। সমস্ত প্রাথমিক পড়ুয়ার শিক্ষার মান কেমন, পড়াশোনার অগ্রগতি কেমন হচ্ছে সেটাও এবার পর্ষদ জানবে। তাই দ্বিতীয় ও তৃতীয় সামেটিভে পর্ষদের পক্ষ থেকে প্রশ্নপত্র করার পরিকল্পনা করেছি। এই প্রথম প্রাথমিক স্কুল স্তরের পরীক্ষায় পর্ষদ নিজে প্রশ্নপত্র তৈরি করছে। প্রশ্ন স্কুলে পৌঁছে দেওয়া হবে। সামেটিভ পরীক্ষার একটা রুটিন থাকবে।’‌


    অন্যদিকে পড়ুয়াদের অগ্রগতি যেমন জানা যাবে তেমন শিক্ষক–শিক্ষিকারাও কেমন পড়াচ্ছেন সেটাও উঠে আসবে। তবে এই নিয়ে কোনও কথা বলেননি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি। নতুন নিয়মে আছে, স্কুল স্তরে পরীক্ষা তিনটি সামেটিভে বিভক্ত। প্রথম সামেটিভ হবে এপ্রিল মাসে। দ্বিতীয় সামেটিভ অগস্ট মাসে এবং তৃতীয় সামেটিভ হবে ডিসেম্বর মাসে। তিনটে সামেটিভ নিয়ে সার্বিকভাবে পড়ুয়াদের মেধার মূল্যায়ন করা হবে। এতদিন এই সামেটিভ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র স্কুলই করত। আর তা নিয়ে নানা মত রয়েছে। তাই এবার পড়ুয়াদের পড়াশোনার মান নির্ধারণ করতে প্রশ্ন তৈরির খরচও পর্ষদ করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    তাছাড়া আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে বাংলার ছেলে–মেয়েদের ভিত শক্ত করতে চায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। তাই তো এই প্রথম তিন দফার পরীক্ষা নিয়ে অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার তৈরি হচ্ছে। প্রথম সামেটিভ শেষের পরই দ্বিতীয় সামেটিভ অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার তৈরি করবে পর্ষদ। দ্বিতীয় অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হবে। মে মাস থেকে সেই অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার ধরেই শিক্ষকদের পড়াতে হবে। তৃতীয় সামেটিভ পরীক্ষার জন্য সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তৃতীয় অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার তৈরি হবে। প্রত্যেক চার মাসে কোন অধ্যায় কতদিন পড়ানো হবে এবং কোন কোন বিষয়ের উপর জোর দিতে হবে তাও ক্যালেন্ডারে দেওয়া থাকবে।
  • Link to this news (হিন্দুস্তান টাইমস)