• সিঙ্গল বেঞ্চে খারিজ হয়েছে আবেদন, মতুয়া মেলা নিয়ে এবার ডিভিশন বেঞ্চে শান্তনু
    হিন্দুস্তান টাইমস | ২৮ মার্চ ২০২৫
  • মতুয়া মেলা নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চে ধাক্কা খাওয়ার পর এবার কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। বৃহস্পতিবার থেকেই শুরু হয়েছে মতুয়া সম্প্রদায়ের বারুণী মেলা। আর এদিনই এনিয়ে বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শান্তনু ঠাকুরের আইনজীবী। তিনি জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির জন্য আবেদন জানান। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে আগামিকাল শুক্রবার মামলাটি শুনানির জন্য ধার্য করেছে।


    আদালত সূত্রের খবর, উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরকে এ বছরের মেলার অনুমতি দেন। জেলা প্রশাসনের সেই অনুমোদনকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন শান্তনু ঠাকুর। তিনি দাবি করেন তিনিই সংঘাধিপতি। ফলে তাঁকেই মেলা করার অনুমোদন দেওয়া হোক। এই আর্জি জানান তিনি। জেলা প্রশাসনের অনুমোদনকে ত্রুটিপূর্ণ বলেও অভিযোগ করেছিলেন শান্তনু।

    প্রথমে মামলা উঠেছিল বিচারপতি অমৃতা সিনহার সিঙ্গল বেঞ্চে। তবে ত্রুটির কারণে মেলার লাইসেন্স বাতিল করে ফের জেলা প্রশাসনকে শুনানি করে নতুন নির্দেশ দিতে বলেন। সেই মতো নতুন শুনানি করে জেলা প্রশাসন ফের মমতাবালা ঠাকুরকে মেলার অনুমোদন দেয়। সেই দ্বিতীয় দফার অনুমোদনকেও চ্যালেঞ্জ করেন শান্তনু। ফের তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। প্রথমে অমৃতা সিনহার ঘরে উঠলেও বিচারপতি মামলা থেকে সরে দাঁড়ান। মামলাটি পাঠানো হয় বিচারপতি বিভাস পট্টনায়কের এজলাসে। গত মঙ্গলবার দীর্ঘ শুনানির পর বিচারপতি শান্তনুর আবেদনে খারিজ করে দেন। এরপরই এদিন সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হলেন শান্তনু ঠাকুর।

    এপ্রসঙ্গে মমতা ঠাকুরের আইনজীবী মুকুল বিশ্বাস এবং অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের আইনজীবী অমিয় দত্ত, সিদ্ধার্থ গোস্বামী, স্বদেশ প্রিয় ঘোষ বলেন, ‘শান্তনু ঠাকুর যে দাবি করছেন তাঁর স্বপক্ষে কোনও নথি আগের দিন আদালতে তিনি পেশ করতে পারেননি। এই মামলা দায়ের করারই কোনও এক্তিয়ার নেই তার। আমরা আদলাতে নথি দিয়ে জানিয়েছি মমতা ঠাকুরই সংঘাধিপত। এরপর মধুপর্ণা ঠাকুর সংঘাধিপতি হবেন বলে ঘোষণা করে গিয়েছেন বড়মা বীণাপাণি দেবী। আদলাইতে সব নথি ফের জমা দেবো’ বলে জানান মুকুল বিশ্বাস।
  • Link to this news (হিন্দুস্তান টাইমস)