• হুলুস্থুল কাণ্ড! জনবহুল এলাকায় উদ্ধার ১১ ফুটের বিষধর, তটস্থ এলাকাবাসী...
    ২৪ ঘন্টা | ২৮ মার্চ ২০২৫
  • অরূপ বসাক: কিছুদিন আগেই খবর এসেছিল মালবাজারের নাগরাকাটা এলাকায় ১৪ ফিটের কিংকোবড়া উদ্ধারের পর চালসার মুর্তি এলাকা থেকে একটি ১২ ফিটের অজগর সাপ উদ্ধার হয়েছিল। এবার আবার ১১ ফুটের কিংকোবরা উদ্ধার নাগরাকাটায়। 

    মালবাজার মহকুমার নাগরাকাটা চা বাগানের স্কুল লাইন থেকে ১১ ফুটের কিংকোবরা সাপ উদ্ধার করে গরুমারা জঙ্গলে ছেড়ে দিল খুনিয়া রেঞ্জের বনকর্মীরা। জানা গিয়েছে, এদিন  স্কুল লাইনের একটি বাড়ির সামনে কিংকোবরা সাপটিকে দেখা যায়। এরপরই খবর পেয়ে সর্প বিশারদ সৈয়দ নৈঈম বাবুনকে সঙ্গে নিয়ে কিংকোবরা সাপটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় বনকর্মীরা। এরপরই গরুমারা জঙ্গলে সাপটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    খুনিয়া রেঞ্জের বিট অফিসার জয়দেব রায় বলেন, কিংকোবড়াটি লম্বায় ১১ ফিট। সাপটি সুস্থ থাকায়, উর্ধতন কতৃপক্ষের নির্দেশে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। 

    এমনিতেই দক্ষিণরায়ের আনাগোনা হোক কিংবা গজরাজের দাপট, সব খবরেই মালবাজারের নাম সবার উপরে। মালবাজারের বাসিন্দাদের দিন-রাত তটস্থ থাকতে হয়। আবার মালবাজার খবরের শিরনামে। জিপিএসের অভাবে অজগর ঘুরছে যেখানে-সেখানে। ঢুকছে লোকালয়ের মধ্যেও। এই ভয়ংকর পরিস্থিতিতেই দিন কাটাচ্ছেন মালবাজারের মানুষজন। 

    কথায় আছে 'যেখানে বাঘের ভয় সেখানে সন্ধ্যা হয়' তেমনই এখানে যেখানে সাপের ভয়, সেখানে সন্ধ্যে হয়। মালবাজারের প্রত্যন্ত এলাকায় এমনই সাপের উত্‍পাত যে সেখানকার মানুষেরা রীতিমতো তটস্থ। সেখান গ্রামবাসীরা বলছে যত গরমের দাবাদহ বাড়ে, ততই এলাকায় সাপের উত্‍পাত হয়। আর এই উত্‍পাতের জেরেই রীতিমতোভাবে তটস্থ এলাকার মানুষ।

    খুনিয়া রেঞ্জের বনকর্মী জয় দেবরাজ বলেন, 'সাপটা আমরা নিয়ে আসছি নাগরাকাটা এলাকার সিকুল থেকে। পৌনে চারটের সময় খবর আসে, আমি সঙ্গে সঙ্গেই এখানকার যে সাপ বিষরদ বাপনদা, ওনাকে নিয়ে সাপটাকে উদ্ধার করে গরুমারা জঙ্গলে ছেড়ে দিলাম। সাপটার দৈর্ঘ্য মোটামুটি ১১ ফুট মতো। সাপটি সম্পূর্ণভাবে সুস্থ ছিল। আমরা বন বিষরদের পরামর্শেই সাপটাকে এলাকায় ছেড়ে দিয়ে এসেছি।'

    মালবাজারের গ্রামবাসীরা বলেছেন, অজগর সাপ বা রক পাইথন এই সময় এমনিতেই বেরোয়। মার্চ, এপ্রিল, মে, জুন, জুলাই মাস করে এখানে খুবই সাপ ঘুরে বেড়ায়। গরম পড়লেই সাপেদের দাপট বেড়ে যায় এলাকায়। প্রায়ই বনকর্মীকে ডেকে সাপ ধরাতে হয়, নাহলে যে কোনও সময় যে কোনও মূহুর্তে বড়সড় অঘটন ঘটে যেতে পারে।

     

  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)