‘বলছে আমাদের পুলিশ, গুলি করবে না, তার মানে পুলিশ আর জেহাদিদের আঁতাত স্পষ্ট’
হিন্দুস্তান টাইমস | ২৯ মার্চ ২০২৫
মালদার মোথাবাড়িতে হিন্দুদের দোকান ও বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুবাবুর দাবি, পরিকল্পিতভাবে মোথাবাড়িতে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চালানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, হামলা চালানোর আগে হামলাকারীরা বলেছে, ‘আমাদের পুলিশ। গুলি করবে না।’
এদিন পুলিশের দাবি নস্যাৎ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘বলছে ২০ জনকে গ্রেফতার করেছি। সব নির্দোষ মানুষদের গ্রেফতার করেছে। যাদের সিসিটিভি বা ভিডিয়ো ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, একটা লোককে ধরেনি। সাবিনা ইয়াসমিন ও রহিম বক্সি তালিকা করে ওদের কিছু সমর্থককে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করেছেন। একই ভাবে ১৬৩ ধারা জারি করে ১০ কিলোমিটার আগে বিজেপি প্রতিনিধিদলকে আটকেছে।
বিরোধী দলনেতার দাবি, ‘সব জায়গায় একই মডেল। হয় ঘটনার সময় পুলিশ থাকবে না, নয় তো দাঁড়িয়ে দেখবে। যা খুশি আপনি করতে পারেন, কাটতে পারেন, মেরে দিতে পারেন, লুঠ করতে পারেন। আগুন লাগাতে পারেন। বেছে বেছে হিন্দু দোকানগুলিকে নিশানা করা হয়েছে। গোটা মোথাবাড়ি বাজার তো ভাঙেনি।’
তাঁর প্রশ্ন, যে হিন্দুরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দেন তাঁদেরও বলছি, মোথাবাড়িতে বেছে বেছে কেন হিন্দুর দোকান ভাঙবে? যদি উন্মত্ত জনতা লাইন দিয়ে সব দোকান ভেঙে দিত তাহলে বুঝতাম ওরা গুন্ডা। তাদের সঙ্গে ধর্মীয় যোগাযোগ নেই। বলছে, আমাদের পুলিশ। গুলি করবে না। তার মানে পুলিশ আর জেহাদিদের অবৈধ আঁতাত তো স্পষ্ট।’
এর পরই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে শুভেন্দুবাবু বলেন, ‘বলছে হিন্দুশূন্য করব। আরে মোগল - পাঠান পারেনি, ঔরঙ্গজেব পারেনি, মহম্মদ ঘোরি পারেনি তুই কে? কে শেষ করবে হিন্দু? আমরাই শেষ করব ২৬ সালে। এই কাজটা উত্তর প্রদেশে করলে জাত ধর্ম না দেখে লঙ্কার গুঁড়ো নাকে ঢোকাত।’
শুভেন্দুবাবু জানান, শুক্রবার মোথাবাড়ির ঘটনা নিয়ে অভিযোগ জানাতে নবান্নে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। কিন্তু তার আগেই নবান্ন ছাড়েন ডিজিপি রাজীব কুমার ও স্বরাষ্ট্র সচিব নন্দিনী চট্টোপাধ্যায়। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘ফেসবুক লাইভ করে ওখানকার একটা জেহাদি বলেছে, আগামিকাল ১টায় জড়ো হবে ৩টায় মিছিল। না বলে আসেনি। হঠাৎ হামলা হয়নি। মডেল একদম এক। বেলডাঙা, নওদা, সেম মডেল। পুলিশের সামনে করেছে। আমি আজ ২টোর সময় যাব বলেছিলাম। ডিজিপি আর স্বরাষ্ট্র সচিব ২ জনই পালিয়েছে। একজন হুগলি পালিয়েছে। আরেকজন কোথায় পালিয়েছে জানি না। বিরোধী দলনেতাকে আটকানোর জন্য কয়েকশ পুলিশ দাঁড় করানো হয়েছে। আমি নবান্নতে চিঠি পত্র যেখানে দেওয়া হয় সেখানে আমি চিঠি দিতে যাব না?’