• মোথাবাড়ি-হিংসায় প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের, গ্রেফতার ৩৪
    আজ তক | ২৯ মার্চ ২০২৫
  • মালদা মোথাবাড়িতে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ইন্টারনেট বন্ধ। গ্রেফতার ৩৪। শুক্রবার কর্মকর্তারা এই কথা জানিয়েছেন। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের পর ৩৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এলাকায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এর পরেও পরিস্থিতি দিনভর উত্তেজনাপূর্ণ থাকলেও শান্তিপূর্ণ ছিল। শুক্রবার রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশ এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের (RAF) সদস্যরা সংঘর্ষ-বিধ্বস্ত মোথাবাড়ি এলাকায় টহল দিতে শুরু করে। 

    শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ সুপারিনটেনডেন্টকে ৩ এপ্রিলের মধ্যে হিংসার বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছে। আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে, বিষয়টির সঙ্গে সংযুক্ত সংবেদনশীলতার পরিপ্রেক্ষিতে, এই ধরনের হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। হাইকোর্ট জানায় রাষ্ট্রের সতর্কতার সঙ্গে কাজ করা এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

    প্রতিমন্ত্রী এবং স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেন, "আমরা সবে সম্প্রদায় এবং গোষ্ঠীগুলির মধ্যে শান্তি বৈঠক শেষ করেছি। বৈঠকটি খুবই ইতিবাচক ছিল। পরিস্থিতি শীঘ্রই স্বাভাবিক হবে।” তিনি আরও বলেন, ইন্টারনেট বন্ধ থাকা সত্ত্বেও, ইদ এবং রাম নবমীর কারণে ১৪৪ ধারা (নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ) জারি করা হয়নি। 

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে মালদার মোথাবাড়িতে তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা। একের পর এক দোকানে ভাঙচুর করা হয়। ভাঙচুর করা হয় বেশ কয়েকটি গাড়িও। অভিযোগ , মসজিদের সামনে বাজি ফাটানোর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছিল। তারপরই কয়েকশো লোক রাস্তায় নেমে তাণ্ডব শুরু করেছে। পুলিশের বিরাট বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। 

    বুধবার রাতে মোথাবাড়িতে মসজিদের সামনে আতশবাজি ফাটানো হয় বলে অভিযোগ। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ডাক দেওয়া হয়েছিল। এরপর দোকানপাট ও গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। বিপুল সংখ্যক পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মোথাবাড়ির তাণ্ডবের একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয় নেট মাধ্যমে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, মোথাবাড়িতে বেছে বেছে হিন্দুদের দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়েছে।  
  • Link to this news (আজ তক)