• রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক হলেন মনোজকুমার আগরওয়াল
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ২৯ মার্চ ২০২৫
  • রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক হলেন মনোজকুমার আগরওয়াল। ১৯৯০ সালের ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের এই আইএএস অফিসারই ২০২৬ সালে বাংলার বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনা করবেন। শুক্রবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে মনোজের নিয়োগ সম্পর্কে জানানো হয়। তিন মাস আগে অবসর নেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব।

    ২০১৭ সালে রাজ্যের নতুন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক হয়েছিলেন আরিজ আফতাব। ২০১৯ ও ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এর পাশাপাশি তিনিই ২০২১ সালে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনা করেন। গত ডিসেম্বরে অবসর নেন আরিজ। তারপর থেকে ভারপ্রাপ্ত সিইও হিসাবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন দিব্যেন্দু দাস।

    বর্তমানে বন দপ্তরের পাশাপাশি বিপর্যয় মোকাবিলা ও অসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব পদে রয়েছেন মনোজ। নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পদে দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে অন্য সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে হবে। তিনি শুধুমাত্র রাজ্য নির্বাচন দপ্তরের দায়িত্ব সামলাবেন।

    নিয়ম অনুযায়ী, সিইও পদের জন্য রাজ্যকে এক বা একাধিক নামের প্যানেল পাঠাতে হয়। সেই তালিকা থেকে এক জনকে সিইও হিসাবে বেছে নেয় নির্বাচন কমিশন। বিগত ৮ বছর ধরে আরিজ আফতাব রাজ্যের ‘সিইও’ পদে ছিলেন। এবার তাঁর জায়গায় এলেন আইএএস অফিসার মনোজকুমার আগরওয়াল।

    মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে এর আগে দুর্নীতির মামলা করেছিল সিবিআই। ২০০৯ সালে নিউ দিল্লির ডিডিএ-র ল্যান্ড ডিপার্টমেন্টে থাকাকালীন মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে আর বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগ উঠেছিল। সিবিআইয়ের একটি টিম আগরওয়ালের সরকারি আবাসনে অভিযান চালায়।

    দিল্লিতে চারটি, গাজিয়াবাদে দুটি এবং মথুরায় দুটি আবাসনে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। তল্লাশিতে কয়েক কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়। বাড়ি থেকে ২.৭৫ লক্ষ টাকা নগদ, একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে ৫০ লক্ষ টাকা স্থায়ী আমানত বাজেয়াপ্ত করা হয়। এছাড়াও বেশ কিছু অস্থায়ী সম্পত্তির হদিশ মেলে।
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)