• কলকাতায় ছুটতে শুরু করল নতুন ২টি চিনা ডালিয়ান রেক, কোন রুটে চালু এই মেট্রো?
    হিন্দুস্তান টাইমস | ৩০ মার্চ ২০২৫
  • কলকাতা মেট্রোয় ছুটতে শুরু করল আরও দু'টি ডালিয়ান রেক। চিন থেকে এই রেকগুলি এসেছিল জানুয়ারি মাসে। নর্থ-সাউথ মেট্রো রুটে এই ডালিয়ান রেকগুলি ছুটতে শুরু করেছে ২৮ মার্চ থেকে। এর আগে ২৭ মার্চ শেষবারের মতো সরকারি ইলেকট্রিকাল ইন্সপেক্টর এই রেকগুলি পরীক্ষা করেছিলেন। এমআর-৫০৪ এবং এমআর-৫১২ রেকগুলি যথাক্রমে নোয়াপাড়া থেকে ১১টা ৫৮ মিনিট এবং ১২টা ৩৫ মিনিটে ছেড়েছিল। সেগুলি নিউ গড়িয়ায় কবি সুভাষ স্টেশনে গিয়ে পৌঁছায় যথাক্রমে ১২টা ৫৬ মিনিট এবং ১টা ৩৯ মিনিটে। এদিকে ফিরতি সফরে কবি সুভাষ থেকে এই রেক দু'টি যথাক্রমে ছেড়েছিল ১টা ১ মিনিটে এবং ১টা ৪১ মিনিটে। সেগুলি দক্ষিণেশ্বরে এসে পৌঁছায় যথাক্রমে ২টো ৫ মিনিটে এবং ২টো ৪৫ মিনিটে।


    উল্লেখ্য, গত ১২ জানুয়ারি জাহাজে করে শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি বন্দরে পৌঁছেছিল ডালিয়ান মেট্রো রেক দুটি। সেই রেকগুলি ২৩ জানুয়ারি নোয়াপাড়া কারশেডে এসে পৌঁছায়। একটি ডিজেল ইঞ্জিনের সাহায্যে নোয়াপাড়া কারশেডে পাঠানো হয় সেগুলিকে। এই দুই রেক চালুর আগে কলকাতা মেট্রোয় ৩টি ডালিয়ান রেক চলাচল করছিল। গত ২০২৩ সালের মার্চ মাসেই এই ধরনের মেট্রো রেকের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হয়েছিল নর্থ-সাউথ রুটে। তার আগে দীর্ঘদিন ধরে এই রেক নিয়ে পরীক্ষা চালানো হয়েছিল কলকাতার মেট্রো লাইনে।


    প্রসঙ্গত, করোনা অতিমামির আগে থেকেই এই নতুন রেক চালানোর পরিকল্পনা ছিল কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষের। চিন থেকে আমদানি করে আনা হয়েছে এই মেট্রো রেক। তাই করোনাকালে এই মেট্রো রেক দেশে আনতে বেশি সময় লাগে। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের মার্চ মাসে এই ধরনের রেক প্রথম আসে শহরে। দফায় দফায় ট্রায়াল রান চলে ডালিয়ান রেকের। এর চার বছর পর অবশেষে বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু করে এই রেক। আর এবার সেই ধরনের আরও দু'টি রেক এল শহরে।

    কলকাতা মেট্রোয় যে এসি রেকগুলি আগে থেকে চলছিল, তার তুলনায় চিনে তৈরি এই ডালিয়ান রেকের দরজা ১০০ মিলিমিটার বেশি চওড়া। এই রেকে উন্নত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রয়েছে। এদিকে বাইরের শব্দ কমানোর জন্য অত্যুধুনিক প্রযুক্ত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এই মেট্রো রেকে। এই মেট্রো রেখে থাকছে এয়ার ডিফিউজার, এক্সিট ইন্ডিকেটর এবং উন্নতমানের অ্যালার্ম ডিভাইস। মেট্রো রেকের দরজার সামনে যাত্রীদের ধরে দাঁড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে এতে। তাছাড়া হুইল চেয়ার পার্কিং সুবিধা রয়েছে ডালিয়ান রেকে। এদিকে যাত্রী সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই রেকে উন্নত ডিস্ক ব্রেক সিস্টেম রয়েছে। অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র, চওড়া 'ইভাকুয়েশন ডোর'ও আছে এই রেকে। তাছাড়া অ্যান্টি-স্কিড রবার ফ্লোরিং আছে এতে। এর ফলে যাত্রীদের দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় পিছলে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।
  • Link to this news (হিন্দুস্তান টাইমস)