• মথুরাপুর হাটে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতি, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় প্রশ্ন
    বর্তমান | ৩১ মার্চ ২০২৫
  • সংবাদদাতা, মানিকচক: মথুরাপুরের ঐতিহ্যবাহী শনিবার হাটে সাতসকালে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই তিনটি দোকান। রবিবার অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে কয়েকশো দোকান ঘর। প্রায় ৩৫০ বছরের পুরনো এই হাটে প্রায় হাজার খানেক দোকান থাকলেও অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা না থাকায় উঠছে প্রশ্ন। সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়েছে হাট কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে, কীভাবে আগুন লাগল তা নিয়ে একাধিক তত্ত্ব উঠে আসছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে মানিকচক থানার পুলিস।

    মানিকচক ব্লকের মথুরাপুরের হাট হয়ে আসছে ইংরেজ আমল থেকে। প্রতি শনিবার মালদহ সহ পার্শ্ববর্তী জেলা, ঝাড়খণ্ড, বিহার থেকেও ব্যবসায়ীরা আসেন ব্যবসা করতে। একদিনের এই হাটে বসে প্রায় এক হাজারের বেশি দোকান। রবিবার এই দোকানগুলিতেই লাগে আগুন। পথচারীরা দেখতে পেয়ে চিত্কার করলে ছুটে আসেন পার্শ্ববর্তী বাসিন্দারা এবং হাট কর্তৃপক্ষ। দমকল আসার আগে নিয়ন্ত্রণ করা হয় আগুন। এই অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়েছে তিনটি দোকান। যার মধ্যে দুটি মিষ্টি এবং একটি কাপড়ের দোকান রয়েছে। 

    হাট কর্তৃপক্ষের তরফে অনিমেষ সরকার বলেন, কীভাবে আগুন লাগল সঠিক কারণ জানি না। তবে, শনিবার দোকানগুলিতে রান্না করার পর আগুন না নেভানোর ফলে এই অগ্নিকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। 

    অগ্নিকাণ্ডে সজল সাহা, অসিত সাহা ও বিকাশ সাহার দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সজল বলেন, আমার সহ যে সমস্ত দোকানে আগুন লেগেছে, সেগুলিতে গ্যাসে রান্না করা হয়। সেক্ষত্রে উনুন না নেভানোয় আগুন লাগার প্রশ্নই আসে না। কেউ আগুন লাগিয়েছে বলে অনুমান। মথরাপুরের এই হাটের সমস্ত দোকান বাঁশ, টিন ও খড়ের। কিন্তু তারপরও নেই কোন অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। বড় অগ্নিকাণ্ড ঘটলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব হয়ে যাবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।  এবিষয়ে অনিমেষ সরকার বলেন, শীঘ্রই সমস্ত ব্যবসায়ীদের নিয়ে বৈঠক করে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এতদিন কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, সে প্রসঙ্গে কিছু বলতে চাননি অনিমেষ। 
  • Link to this news (বর্তমান)