‘এত পরিমাণ বাজি মজুত রাখার কারণ কী?’ পাথরপ্রতিমার ঘটনায় তদন্তে পুলিশ...
আজকাল | ০২ এপ্রিল ২০২৫
আজকাল ওয়েবডেস্ক: পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাটের বাড়িতে কী কারণে এত বাজি মজুত? বিস্তারিত তদন্ত করে দেখবে পুলিশ। মঙ্গলবার ভবানী ভবনে রাজ্য পুলিশের এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার এই কথাই জানালেন সাংবাদিকদের। জানালেন, ‘বাজির ওই গুদামে গ্যাস সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ ঘটেছে। মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেছে ফরেন্সিক টিম। এই বাজি যারা প্রস্তুত করত তাদের বৈধ লাইসেন্স ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে। পঞ্চায়েত থেকে স্থানীয়ভাবে কোনও লাইসেন্স দিয়েছিল কিনা সে বিষয়টিও দেখা হবে’।
জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণের ঘটনায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৮৭, ২৮৮, ১০৫, ১১০, ১২৫ বিএনএস ২৪-২৪ ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের আইজিএস দক্ষিণবঙ্গ সাফ জানান, পুলিশ প্রশাসন বাজি প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি সঙ্গে ফের আলোচনায় বসবে। বাজি মজুত রাখার জন্য নিরাপদ স্থান চিহ্নিত করা হবে। জনবসতিহীন এলাকায় বাজি মজুত করতে হবে। যারা বাজি তৈরি করেন তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে পুলিশ প্রশাসন। এই বিপুল পরিমাণ বারুদ কোথা থেকে আসছে সেই উৎসস্থল খুঁজে বের করবে পুলিশ। পাথরপ্রতিমা বাজি বিস্ফোরণে মৃত বেড়ে ৮।
মঙ্গলবার সকালে এসএসকেএম হাসপাতালে মৃত্যু হয় সুতপা বণিকের। বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের আটজনের মৃত্যু। যার মধ্যে চার জন শিশু। বিস্ফোরণের পর রাত কাটলেও আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না এলাকাবাসীর। সকলেরই দাবি, জনবসতির মাঝে বাজি কারখানা নিয়ে বহুবার আপত্তি জানিয়ে ছিলেন তাঁরা। কিন্তু তাতে কেউ কর্ণপাত করেনি।
এদিকে ইতিমধ্যেই বাজি কারখানার মালিক দুই ভাই তুষার বণিক ও চন্দ্রকান্ত বণিকের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করেছে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর,পরিবারের বাকি সদস্য ঘটনার পরই এলাকা ছেড়েছেন। তাঁদের এখনও হদিশ মেলেনি বলেই খবর। বাজি কারখানার মালিক দুই ভাই চন্দ্রকান্ত বণিক ও তুষার বণিকের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে ঢোলাহাট থানায়। তাঁদের খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।