কেন্দ্রের ই-গভর্ন্যান্স পুরস্কার পেতে চলেছে বাংলার ৭ গ্রাম পঞ্চায়েত
দৈনিক স্টেটসম্যান | ০২ এপ্রিল ২০২৫
ডিজিটাল অভিযানে পিছিয়ে নেই মমতার বাংলা। ন্যাশনাল ই-গভর্নেন্স অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছে রাজ্যের সাত জেলার সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত। পুরস্কারের তালিকায় থাকা এই গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি হল, আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রাম ব্লকের টুরটুরিখান্দা, হাওড়ার শ্যামপুর ২ ব্লকের বানেশ্বরপুর ২, উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর এক-এর মাঝিপাড়া পলাশি, পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর ২ ব্লকের কালিয়াড়া ২, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া ব্লকের দেভোগ, পুরুলিয়ার কাশীপুর ব্লকের কাশীপুর, হুগলির সিঙ্গুর ব্লকের মির্জাপুর-বঙ্কিপুর।
এই জেলাগুলির মধ্যে যে সব পঞ্চায়েত এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে এগুলির প্রত্যেকটি স্বচ্ছতা ও ই-গভর্ন্যান্সে নিজের জেলায় শীর্ষে উঠে এসেছে। এখানকার পঞ্চায়েতের পরিষেবা পেতে সেখানকার মানুষজনকে কখনওই হয়রানি বা দুর্ভোগ পোহাতে হয় না। বাড়তি সময়ও নষ্ট করতে হয়না। ঘরে বসেই পরিষেবা পাওয়া যায়। এই গ্রাম পঞ্চায়েতগুলির জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র অনলাইনেই পাওয়া যায়। অনলাইনে অভিযোও জানানো যায়। চটজলদি তার সমাধানও হয়ে যাচ্ছে অনলাইনে। কারণ এই অনলাইন পরিষেবা জুড়ে রয়েছে রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগ। অভিযোগের সুরাহা না হলে রাজ্যের নজরে পড়ে যাওয়ার ভয়ে কাজের গতি অনেক বেড়েছে।
উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ২০১১ সালে ৩৪ বছরের বাম জমানার পতন হয়েছে। রাজ্যে পালাবদলের পর কেটে গিয়েছে প্রায় ১৪ বছর। এই সময়ে একের পর এক গ্রাম পঞ্চায়েত ই-গভর্নেন্সে এগিয়ে যাওয়ায় পঞ্চায়েতের কাজে যথেষ্ট স্বচ্ছতা এসেছে। পুরুলিয়ার পুঞ্চা ব্লকের লাখরা গ্রাম পঞ্চায়েত রাজ্যে এই কাজে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। জঙ্গলমহল পুরুলিয়ার কাশীপুর ব্লকের কাশীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতও এই একই খেতাবে জুড়তে চলেছে।
সম্প্রতি রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগকে বিষয়টি জেলাগুলির পঞ্চায়েতকে জানিয়ে দিতে বলা হয়েছিল। সেখানকার ই গভর্নেন্স-র নিরিখে ১ এপ্রিলের মধ্যে রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগে সেখানকার তথ্য সম্বলিত একটি ভিডিও পাঠাতে বলা হয়েছিল। যা কেন্দ্রের পঞ্চায়েত মন্ত্রকে পাঠাতে চলেছে রাজ্য। তারপর তাঁরা এই বিষয়ে নির্বাচন করবে।