ক্যান্সার আক্রান্ত ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগ, দ্রুত তদন্তের নির্দেশ হাই কোর্টের
প্রতিদিন | ০২ এপ্রিল ২০২৫
গোবিন্দ রায়: ক্যান্সার আক্রান্ত ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগ। তিন বছর আগের ঘটনা নিয়ে এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ ওই প্রবীণ। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে এই মামলা ওঠে। ওই মামলায় আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে হবে। সেই নির্দেশ দিলেন বিচারপতি।
ঘটনাটি ২০২০ সালের অক্টোবর মাসের। দেওয়ালিতে বাজি ফাটানোকে কেন্দ্র করে বিবাদ হয় হুগলির উত্তরপাড়ায়। ওই এলাকার বাসিন্দা বৃদ্ধ শশাঙ্ক ঘোষ ক্যান্সার আক্রান্ত। ওই বাড়িতে ছিলেন এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলা। ওই এলাকায় বাজি ফাটানো হচ্ছিল। তারই প্রতিবাদ করেছিলেন ওই বৃদ্ধ। অভিযোগ, এরপরেই ওই বৃদ্ধের বাড়িতে ঢুকে পড়েন মদ্যপরা ঢুকে পড়েন। ক্যান্সার আক্রান্ত ওই বৃদ্ধ ও অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধর করা হয়। হামলায় ওই মহিলার গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায় বলে অভিযোগ।
ওই ঘটনায় এরপর থানায় অভিযোগ দায়ের করে ওই পরিবার। পুলিশ তদন্তও শুরু করে। আবেদনকারী শশাঙ্ক শেখর রায়ের আইনজীবী রাজেশ ক্ষেত্রীর অভিযোগ, ওই ঘটনার প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু একজন পলাতককে পুলিশ ধরতে পারেনি। এই অবস্থায় বিচারপ্রক্রিয়াও শুরু করতে পারছে না আদালত। সেই ভিত্তিতেই এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন ক্যান্সার আক্রান্ত ওই বৃদ্ধ।
এদিন শুনানি চলাকালীন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ নির্দেশ দিলেন, দেওয়ালির অশান্তির ওই ঘটনার তদন্ত করবেন ডিএসপি। ৩০ দিনের মধ্যে পলাতককে ধরতে হবে। সেই কাজ যদি না হয়, তাহলে এই বিষয়ে নিম্ন আদালতকে আরও কড়া হতে হবে। হাই কোর্ট আরও জানিয়েছে, যারা ইতিমধ্যেই ধরা পড়েছে, তাদের ক্ষেত্রে একরকম বিচার হবে। আর যে ধরা পড়েনি, তার ক্ষেত্রে অন্যরকম নির্দেশ দেবে আদালত। প্রয়োজনে তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে হবে। সেই কথাও এদিন বলেছেন বিচারপতি।