• কেন্দ্রের ই-গভর্ন্যান্স পুরস্কার পাবে হাওড়ার গ্রামপঞ্চায়েত, রয়েছে বাংলার আরও ৬
    এই সময় | ০২ এপ্রিল ২০২৫
  • কেন্দ্রের ই-গভর্ন্যান্স পুরস্কারের জন্য মনোনীত হল হাওড়ার শ্যামপুরের গ্রামপঞ্চায়েত। শ্যামপুর-১ ব্লকের বাণেশ্বরপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, রাজ্যে মোট ৭টি গ্রামপঞ্চায়েত ই-গভর্ন্যান্সের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করায়, তাদের মনোনীত করা হয়েছে। হাওড়ার পাশাপাশি হুগলি, পুরুলিয়া-সহ একাধিক জেলার পঞ্চায়েত রয়েছে এই তালিকায়।

    বিভিন্ন গ্রামপঞ্চায়েতের ই–গভর্ন্যান্সের নিরিখে রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন বিভাগের তথ্য নিয়ে রাজ্যকে একটি ভিডিয়ো পাঠাতে হয়। তা কেন্দ্রের পঞ্চায়েত মন্ত্রকে পাঠায় রাজ্য সরকার। তা থেকেই চূড়ান্ত নির্বাচন হয় বলে খবর।

    শ্যামপুর-১-এর বিডিও তন্ময় কারজি জানান, রাজ্য সরকারের তরফে তাঁদের এই খবর দেওয়া হয়েছে। রাজ্য পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর এবং জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, বাণেশ্বরপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েত বিভিন্ন সরকারি পোর্টালকে কাজে লাগিয়ে ২৮টিরও বেশি নাগরিক পরিষেবা প্রদান করছে।

    যার মধ্যে আছে ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র প্রদান, রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট, কর আদায়-সহ একাধিক নাগরিক পরিষেবা রয়েছে। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সংক্রান্ত বিষয়গুলিরও সমাধানের ব্যাপারে অনলাইন নির্ভর এই পঞ্চায়েত। এমনকী জল সমস্যা বা যে কোনও ধরনের পরিষেবাগত ক্ষেত্রে সমস্যা হলে তারা অনলাইনের মাধ্যমে সেই সমস্যা নথিভুক্ত করে এবং তা দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেন।

    বাণেশ্বরপুর গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান লক্ষ্মী মণ্ডল বলেন, ‘আমরা এখন ২৮টিরও বেশি নাগরিক পরিষেবা অনলাইনের মাধ্যমে দিচ্ছি। আগামী দিনে আরও বেশি করে এই কাজ করতে চাই।’ বাণেশ্বরপুর গ্রামপঞ্চায়েত সূত্রে খবর, গৃহ নির্মাণ প্রকল্প থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট, সমস্ত ক্ষেত্রেই জিও ট্যাগিংকে যথাযথভাবে রূপায়ণ করে নির্মাণকারী সংস্থাকে টাকা পয়সা দেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে, নাগরিক পরিষেবাও অনলাইনের মাধ্যমে দেওয়ায় বার বার পঞ্চায়েতে এসে ঝক্কি পোহাতে হয় না এলাকার বাসিন্দাদের। অনলাইনে আবেদন করেই হাতে চলে আসছে বিভিন্ন শংসাপত্র।

  • Link to this news (এই সময়)