• ‘মাল কোথায় আছে বলুন?’, ভরদুপুরে বাড়িতে পুলিশ, থতমত বাজি ব্যবসায়ী
    এই সময় | ০২ এপ্রিল ২০২৫
  • ঢোলাহাটে ভয়াবহ বিস্ফোরণে আট জনের মৃত্যুর পর জোর তল্লাশি চলছে বারুইপুরে। বেআইনি বাজি কারখানার রমরমা ব্যবসা রুখতে বুধবার চম্পাহাটির হাড়াল এলাকায় ব্যাপক অভিযান চালায় বারুইপুর জেলা পুলিশ। বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করা হয় বলে খবর। পুলিশ জানিয়েছে, বেআইনি বাজির কারবার বন্ধ করতে এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালানো হবে। অন্য দিকে বুধবার নবান্ন থেকে বাজি নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঢোলাহাটের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, এর থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। আমাদের আরও সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। এক জায়গায় দাহ্য পদার্থ রেখে দিলে প্রাণহানি হতে পারে। তাই সকলেই সাবধান হোন।’

    পুলিশ সূত্রে খবর, চম্পাহাটির হাড়াল-সহ বিভিন্ন এলাকায় বেআইনি বাজি তৈরির একাধিক কারখানার সন্ধান মিলেছে। বুধবারের অভিযানে প্রচুর নিষিদ্ধ বাজিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে খবর। বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। সাধন সর্দার নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ঢুকে সরাসরি তাঁর কাছে জানতে চান পুলিশ আধিারিক, ‘মাল কোথায় রেখেছেন? বাজি কোথায়?’

    পুলিশের স্পষ্ট বার্তা, কোনও ভাবেই বেআইনি বাজির কারবার বরদাস্ত করা হবে না। কড়া পদক্ষেপ নেওয়ারও বার্তা দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। স্থানীয় সূত্রের খবর, প্রশাসনের নির্দেশে আপাতত বাজি ব্যবসা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে, যাঁরা বৈধ ভাবে এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের অনেকে দ্রুত একটি সরকার অনুমোদিত ক্লাস্টার গঠনের দাবি জানিয়েছেন।

    হাড়ালের বাজি ব্যবসায়ী সাধন সর্দারের বাড়িতে এ দিন পুলিশ গিয়েছিল। সাধন বলেন, ‘বিভিন্ন স্টক পরীক্ষা করে দেখল পুলিশ। আসলে আমরা বাজি কিনে ব্যবসা করি। তাও ফুলঝুরির মতো সব সবুজ বাজি। শব্দবাজি আছে কি না, সেটাই দেখল পুলিশ।’

  • Link to this news (এই সময়)