• বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের পর অভিযানে পুলিশ, পূর্ব মেদিনীপুর থেকে গ্রেপ্তার ৩
    এই সময় | ০২ এপ্রিল ২০২৫
  • মহেশতলা, চম্পাহাটির পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা— তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে।­ শেষ কোথায়? অজানা। বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের পর পুলিশের সেই তৎপরতা এ বারও দেখা গেল। অবৈধ বাজি ব্যবসায় রাশ টানতে এ বার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করল পুলিশ। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে মোট ৫৭২ কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি উদ্ধার করা হয়েছে। তিনটি এলাকা থেকে তিনজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাতে পটাশপুর থানার পুলিশ গোপন সূত্রে অভিযান চালায়। সেই অভিযানে সাহাপুর গ্রাম থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে ২০০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি। অভিযোগ, ওই গ্রামের অলক খাটুয়া গোডাউনে নিষিদ্ধ বাজি মজুত রেখে তা চড়া দামে বিক্রি করতেন। মঙ্গলবার রাতে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্য দিকে, ওই দিন রাতে মহিষাদল থানার পুলিশ সেখানকার চিঙ্গুরমারি এলাকা থেকে ১০২ কেজি বাজি উদ্ধার করেছে। অভিযোগ, ওই গ্রামের প্রশান্ত বেরার বাড়ির মধ্যে নিষিদ্ধ শব্দ বাজি মজুত করে তা বিক্রি করতেন। মঙ্গলবার রাতে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে।

    এ দিকে নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের বিরুলিয়া থেকে ২০ কেজি বাজি-সহ রঞ্জন পাল নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ। অভিযোগ, মঙ্গলবার রাতে খেজুরি থেকে নিষিদ্ধ বাজি নিয়ে আসছিলেন অভিযুক্ত। পুলিশ খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে তাঁকে বাজি-সহ গ্রেপ্তার করে। এর পাশাপাশি মঙ্গলবারই ভূপতিনগর থানা এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে ২৫০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি ও তার মশলা। তবে জানা গিয়েছে, পুলিশ যাওয়ার আগেই এলাকা ছেড়ে চম্পট দেন অভিযুক্ত।

    পূর্ব মেদিনীপুরে অভিযান চালানোর পর সেখানকার পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য বলেন, ‘জেলা জুড়ে অবৈধ বাজি রুখতে এই ধরনের অভিযান প্রতিনিয়ত চলে। অবৈধ বাজির বিরুদ্ধে আগামী দিনেও এই অভিযান চলবে।’

  • Link to this news (এই সময়)