জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্য়ুরো: 'মানুষ চিকিত্সা করবে কোথা থেকে'? ওষুধের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবার পথে নামছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, '৬ তারিখে রামনবমী আমি কিছু করব না। শান্তিপূর্ণ হোক। ৪ আর ৫ শুক্রবার এবং শনিবার বেলা ৪ থেকে ৫টা, এক ঘণ্টা প্রতি ব্লকে ব্লকে ওয়ার্ডে, ওয়ার্ডে. মিছিল মিটিং হবে'।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি, , যারা ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ করে। এটা কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা। ৭৪৮ টা ওষুধের দাম, যা গবীর মানুষকে কেনে, ৮০ জীবনদায়ী ড্রাগ, পয়লা এপ্রিল থেকে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এইসব ওষুধ কেনে কারা? গবীর মানুষ, সাধারণ মানুষ, যাঁদের ক্ষমতা নেই বড় বড় হাসপাতালে গিয়ে প্রাইভেটে চিকিত্সা করার, বিদেশে গিয়ে কোটি কোটি টাকা দিয়ে চিকিত্সা করার, তাঁদের জন্য এই ওষুধ গুলি কাজে লাগে। আমি হতবাক। চিকিত্সা করবে কোথায় থেকে মানুষ? ডাক্তার যখন এই ওষুধ গুলি দেবে, কাউকে ৯৭ শতাংশে কিনতে হবে, কাউকে ৫৭ শতাংশে কিনতে হবে, কাউকে ৪০ শতাংশে কিনতে হবে'।
স্বাস্থ্যবিমাতেই বা কেন জিএসটি? সে প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'কেউ বাড়ির জন্য় লোন নিলে তার উপর জিএসটি বাড়িয়ে দিচ্ছে, তেমননি স্বাস্থ্য বিমাতেও জিএসটি চালু করেছে। আমি বারবার চিঠি লিখে প্রধানমন্ত্রীকে আবেদন করেছিলাম, স্বাস্থ্য হল মানুষের সম্পদ। স্বাস্থ্যে বাধা নিষেধ আরোপ করে করের আওতায় আনা উচিত নয়। আমরা জিএসটি করে দিয়েছিলাম, একটাই শর্তে, জিএসটিতে আমাদের প্রাপ্য় টাকা পাব। কিন্তু সেটা তো হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় সরকার আছে কীসের জন্য! শুধু ধর্মীয় প্রবণতার নামে একটা নতুন ধর্মের আমদানি করে, যা রামকৃষ্ণের নয়, যা স্বামী বিবেকানন্দের নয়।শুধু দেশকে, মানুষ ভাগ করা আর মানুষের মধ্যে দাঙ্গা লাগানো'! সঙ্গে বার্তা, 'আমি চাই বাসন্তী পুজো, অন্নপূর্ণা পুজো, রামনবমী শান্তিতে ভালোভাবে হোক'।