• নতুন দ্বারের উদ্বোধনে হাতে হাত রবি-ভূষণের
    বর্তমান | ০৩ এপ্রিল ২০২৫
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহার পুরসভার নবনির্মিত প্রবেশদ্বার উদ্বোধনে প্রাক্তন চেয়ারম্যান ভূষণ সিংয়ের হাত ধরে পুরসভায় ঢুকলেন চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। বুধবার এই ছবি সামনে আসতেই জেলার রাজনৈতিক মহলে জোরচর্চা শুরু হয়েছে। 

    বেশকিছু দিন ধরেই কোচবিহারে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চলছে। তার প্রভাব পড়েছে পুরসভার অন্দরেও। সম্প্রতি পুরসভার বাজেট বৈঠক ও বোর্ড মিটিংয়ে গরহাজির ছিলেন বেশ কয়েকজন দলীয় কাউন্সিলার। সেই তালিকায় ছিলেন দলের জেলা সভাপতি তথা ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অভিজিৎ দে ভৌমিক, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভূষণ সিং, ভাইস চেয়ারপার্সন আমিনা আহমেদও। চেয়ারম্যান কোনওভাবে কোরাম করে বোর্ড মিটিং ও বাজেট পাশ করিয়ে ছিলেন। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে, রবিবাবু শেষ পর্যন্ত পুরসভায় তাঁর সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পারবেন তো! এই নতুন অঙ্ক যখন দানা বাঁধতে শুরু করেছে তখন দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় রবি-ভূষণ একে অপরের বিরুদ্ধে নাম না করে নানান ঈঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করছেন। সেসব পোস্ট নিয়েও জল্পনা চলছিল। এরই মধ্যে এদিন পুরসভার সীমানা প্রচীর, চাতাল ও নবনির্মিত প্রবেশদ্বারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়। ৩০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ‘হেরিটেজ লুক’ গেট, পেভার ব্লক বসানো চাতাল ও সীমানা প্রাচীর পুরসভার চেহারাই বদলে দিয়েছে। 

    এই অনুষ্ঠানেই হাজির হন ভূষণ সিং। অনুষ্ঠান শেষে রবিবাবু ভূষণ সিংয়ের হাত ধরে নিয়ে পুরসভায় ঢোকেন। ২০ জন কাউন্সিলারের মধ্যে এদিন ৮ জন তৃণমূল কাউন্সিলার ও এক বাম কাউন্সিলার উপস্থিত ছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, কখনও কোনও ভুল বোঝাবুঝি হয়ে যায়। বিশেষ করে কেউ ভুল বুঝিয়ে দেয়। পরে সঠিকটা বুঝলে মানুষ অবস্থান বদলে ফেলে। তেমনভাবেই ভূষণবাবু এসেছেন। ভাইস চেয়ারপার্সন এসেছিলেন। কয়েকজন কাউন্সিলার ফোন করে সমস্যার কথা জানিয়েছেন। আমি মনে করি, নাগরিক পরিষেবার কথা মাথায় রেখে সকলেরই আসা প্রয়োজন। ভূষণ সিং বলেন, আমি ডিএম অফিসে এসেছিলাম। সেখান থেকে ফেরার সময় পুরসভায় ঢুকি।
  • Link to this news (বর্তমান)