• দুধে ভেজাল নেই তো, যাচাই করতে গণেশ টকিজ মার্কেটে যৌথ অভিযান
    বর্তমান | ০৩ এপ্রিল ২০২৫
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতার গণেশ টকিজ এলাকায় খোলা বাজারেই বিক্রি হয় ড্রামবন্দি দুধ। সেখান থেকে শহরের সর্বত্র দুধ সরবরাহ হয়। সেই দুধের গুণমান আদৌ ঠিক তো, নাকি তাতে মেশানো হচ্ছে কোনও ক্ষতিকারক রাসায়নিক, তা দেখতে ওই অঞ্চলে বুধবার বিকেলে আচমকা হানা দিলেন এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ, স্থানীয় থানা ও কলকাতা পুরসভার ফুড সেফটি শাখার অফিসাররা। কলকাতা পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে সেখানকার একাধিক দোকানে অভিযান চালানো হয়। দুধের নমুনা নিয়ে ‘অন স্পট’ পরীক্ষাও করা হয়। কিছু নমুনা আবার পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হবে। পুরসভা সূত্রে খবর, নির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে নবান্ন থেকে এই অভিযানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    কলকাতার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত গণেশ টকিজ অঞ্চলে রবীন্দ্র সরণিতে রয়েছে একাধিক দুধের দোকান। ৬০-৭০ বছর ধরে সেখানে খোলা বাজারে দুধ বিক্রি হয়। কলকাতা লাগোয়া বিভিন্ন জেলা থেকে এখানে অ্যালুমিলিয়াম কিংবা স্টিলের ড্রামে করে দুধ আসে এবং সেই দুধ শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্তা বলেন, কিছু নির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর এই অভিযান চালানোর নির্দেশ দেয়। তার ভিত্তিতেই এদিন এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ ও পুরসভা যৌথ অভিযান চালায়। কিছু নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে আটটি দোকানে অভিযান চালিয়ে ন’টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষায় আপাতত ক্ষতিকারক কিছু ধরা পড়েনি। তবে পরবর্তী পর্যায়ের পরীক্ষার জন্য ওই নমুনা ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হবে। 

    পুরসভার তরফ থেকে মোট পাঁচজন এই অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। নমুনাগুলি পুরসভার সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হবে। পুর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গণেশ টকিজ এলাকায় দুধের বড় মার্কেট রয়েছে। সেখানে দুধে জল মেশানো হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। জল মেশালেও তার পরিমাণ কতটা, তাও দেখা দরকার। দুধে কোনও ক্ষতিকারক রাসায়নিক মেশানো হলে তা বিপজ্জনক। সেসবও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। দুধ একটি অপরিহার্য খাদ্যপণ্য। তার গুণমান বজায় রাখা জরুরি। সেই কারণেই এই অভিযান। -নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)