দলের শীর্ষস্তরের নেতারা যতই হুঁশিয়ারি দিক না কেন, বীরভূমে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব থামার লক্ষণই নেই। গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে বুধবার দলেরই দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের ব্লক সভাপতির অনুগামীদের একাংশের বিরুদ্ধে। বীরভূমের সাঁইথিয়া থানার ফুলুর পঞ্চায়েতের হরপলসা গ্রামের ঘটনা।
আগামী বছরেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। ২০২৬-এর এই নির্বাচনকে পাখির চোখ করে বিভিন্ন পদক্ষেপ করছে শাসক দল। এরই মাঝে বীরভূমে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।
কয়েক দিন আগেই ছিল ইদ। জানা গিয়েছে, ইদের দিন বাজি পোড়ানো নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা হয়। বুধবার রাতে সেই বচসার রেশ টেনেই হরপলসা গ্রামের তৃণমূল কর্মী শেখ সামিরুল-সহ ২ জনকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাতে বাড়ি ফেরার সময় লাঠি ও বাঁশ দিয়ে তাঁদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ শেখ সামিরুলের। তাঁর অভিযোগ, ব্লক সভাপতি সাবের আলী খানের ঘনিষ্ঠ সেখ নঈম, সেখ মুস্তাখ, সেখ রবিউল-সহ ৫ জন তাঁদের মারধর করেছেন।
এই ঘটনার পর শেখ সামিরুল ও তাঁর সঙ্গীকে সাঁইথিয়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। আহত এক তৃণমূলকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও সামিরুলকে রেফার করা হয় সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। এখন তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, বীরভূমের সাঁইথিয়া থানার ফুলুর পঞ্চায়েতের হরপলসা গ্রামে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব অনেকদিনের। তবে এ বার সেই দ্বন্দ্ব বচসা থেকে সংঘর্ষের চেহারা নেয়।