স্বামী-স্ত্রী দু’জনই ২০১৬ সালের প্যানেলে চাকরি পেয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার একই সঙ্গে চাকরি গেল দু’জনের। কেঁদে ফেললেন সোদপুরের দেবশ্রী সাহা। বারুইপুরের সীতাকুণ্ড বিদ্যায়তনের বায়োলজির শিক্ষিকা তিনি। দেবশ্রী জানান, সরকার কী বলছে, তা না জানা অবধি স্কুলে আসবেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কপি তাঁরা পাননি। তাই যতক্ষণ না নোটিস পাচ্ছেন, ততক্ষণ এ নিয়ে কথা বলতে পারছেন না।
দেবশ্রীর কথায়, ‘শুনেছি চাকরি প্রাপকদের একাংশকে বেতন ফেরাতে বলা হয়েছে। বাকিদের চাকরি বাতিল করা হয়েছে। বলা হয়েছে, পুরোনো চাকরি ছেড়ে এসেছেন যাঁরা, তাঁরা আবেদন করলে সুযোগ পাবেন। আমি তো একদম ফ্রেশার। পরীক্ষা দিয়ে প্রথম চাকরি আমার। বাড়িতে বাচ্চা, মা, বাবা, শ্বশুর, শাশুড়ি সকলে আছেন। জানি না কী হবে।’
একই বক্তব্য এই স্কুলেরই আরেক শিক্ষিকা অঙ্কিতা ধরেরও। গণিতের শিক্ষিকা অঙ্কিতা বলেন, ‘দেড় বছরের বাচ্চা আছে আমার। আমার বরও বাইরে থাকে। বুঝতেই পারছি না, এটা কেমন সিদ্ধান্ত হল? যোগ্য-অযোগ্য বাছাই করতে না পেরে সকলকে চাকরি থেকে বসিয়ে দেওয়া হলো, আমরা তো ভাবতেই পারছি না। আমাদের সুপ্রিম কোর্টের কাছে অনেক আশা, প্রত্যাশা। আমাদের নামে কোথাও কোনও অভিযোগ নেই। আমরা সেই দায় কেন নেব?’